kalerkantho

শনিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৮ সফর ১৪৪২

সব সময় নির্বাচন করেই এসেছি

বললেন সালাউদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০২:৫৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সব সময় নির্বাচন করেই এসেছি

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ১২ বছর ফুটবল শাসন করা কাজী সালাউদ্দিন চমকে বিশ্বাস করেন না। কাজের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে সাফল্য পেতে চান তিনি, ‘আমার ইশতেহারে কোনো চমক থাকবে না। ফুটবলে চমক বলতে কিছু নেই। কাজ করতে গেলে চমক আসবে। গত ১২ বছরে ১১-১২টা লিগ হয়েছে। চমক হলো ৭০ হাজার দর্শকের সামনে ভারতের সঙ্গে জিততে জিততে শেষ মুহূর্তে ড্র, আরেক চমক হলো কাতারকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসের দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়া। চমক তো ছেলেরা দেখাবে। ওদের জন্য সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা, টুর্নামেন্টগুলো নিয়মিত করা হলো ফেডারেশনের কাজ।’

নির্বাচনী জনসংযোগেও তিনি কোনো বাড়াবাড়ি করতে চাইছেন না। তাঁর কথা, ‘নির্বাচনী প্রচারণায় খরচের বাহারের যৌক্তিকতা নেই। সেটা হবে ফুটবলে। এখন সবার সঙ্গে ফোনে কথা বলছি, কেউ কেউ সশরীরে আসছেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলছি। পুরো প্যানেল যেন জিতে আসতে পারে সে জন্য কাজ করছি।’ প্যানেল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সালাউদ্দিন সহসভাপতি দুই নতুন মুখ নিয়েও বলেছেন আলাদা করে, ‘তমা গ্রুপের চেয়ারম্যান মানিক এবং বসুন্ধরা গ্রুপ থেকে ইমরুল হাসান নতুন এসেছে এই প্যানেলে। তারা অনেক দিন ধরেই ফুটবলে কাজ করছে, কিন্তু সেভাবে প্রচারে আসেনি। এখন বাফুফেতে এসে সরাসরি তারা নিজেদের মেধা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দিয়ে দেশের ফুটবলের জন্য কাজ করতে চাইছে। করপোরেট গ্রুপ যত আসবে ততই ফুটবলের জন্য ভালো। আমি সম্ভাব্য সেরাদের নিয়েই এই প্যানেলটা করছি। এর চেয়ে ভালো বিকল্প আসলে ছিল না।’ যে কারণে নিজের বিরুদ্ধে প্রচারণাকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন না দেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার। সালাউদ্দিনের বিশ্বাস একটি নির্দিষ্ট গ্রুপ তা করাচ্ছে, ‘আমাকে নিয়ে আলোচনা হয় মানে আমি জনপ্রিয়। আর প্রচারণার ধরন দেখেই বোঝা যায়, এটা প্রফেশনালি কেউ করাচ্ছে। আর কারা আমার বিরুদ্ধে বলে, যারা ফুটবল খেলাই দেখেনি গত ১০ বছরে। রাস্তা থেকে চার-পাঁচটা ছেলে এসে বলে। তাদের মধ্যে এমন একজন দেখান যারা নিয়মিত ফুটবল দেখেছে, ফুটবলের সঙ্গে জড়িত।’ তাঁর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সাবেক ফুটবলারদেরও সমালোচনা করেছেন বাফুফে সভাপতি, ‘পাঁচ-ছয়জন সাবেক ফুটবল খেলোয়াড় প্রতিটি টিভিতে ঘুরে ঘুরে একই কথা বলে। এই পাঁচজন প্রতিবার নির্বাচন করে। নির্বাচনে ১২, ২০, ৩০... ভোট পায়। ওদের যদি এতই যোগ্যতা থাকত তাহলে তো ওরা এখানেই আসত। টেলিভিশনে থাকত না।’ যাঁরা তাঁকে পদত্যাগ করে নির্বাচন থেকে সরে যেতে বলছে, তাঁদের সেই দাবি অযৌক্তিক বলেই মনে করেন চতুর্থবারের মতো বাফুফে নির্বাচন করতে যাওয়া সালাউদ্দিন, ‘আমি যদি নির্বাচন না দিতাম, তখন আমাকে বলতে পারতেন পদত্যাগের কথা। এখন ১৫ দিন পর নির্বাচন, আপনি নির্বাচনে জিতে আসেন। তা না করে পদত্যাগের দাবির তো কোনো যুক্তি নেই।’

নির্ধারিত সময়ের পর সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়া বাদল রায়ের নাম ব্যালটে থেকে যাওয়া প্রসঙ্গে সালাউদ্দিনের মন্তব্য, ‘এটা নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত। তারা স্বাধীন। সে দেরিতে চিঠি দিয়েছে, তাই তার নাম থেকে গেছে।’ তাই বলে নির্বাচনটাকে মোটেও সহজ ভাবছেন না তিনি। নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের উদাহরণ টেনে এনে বলছিলেন, ‘সব নির্বাচনই কঠিন। আমি তো নির্বাচন করে আসছি, আপনারাও দেখেছেন। আমি যখন খেলতাম তখনো ছোট বা বড় দল বিচার করতাম না। কারণ সব দলের বিপক্ষেই জিততে হবে আমাকে। এর বাইরে অন্য কিছু চিন্তা করার সুযোগ নেই। নির্বাচনও তা-ই।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা