kalerkantho

রবিবার। ৫ আশ্বিন ১৪২৭ । ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০। ২ সফর ১৪৪২

কঠিনতম কাজটি মেসিকেই করতে হবে

অনলাইন ডেস্ক   

১৩ আগস্ট, ২০২০ ২১:৪০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কঠিনতম কাজটি মেসিকেই করতে হবে

দল নিয়ে লিসবনে অবতরণ করলেন লিওনেল মেসি। ছবি : এএফপি

লিসবনে বায়ার্নের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আগামীকালের ম্যাচে জয়ের জন্য মেসিকে এমন কলাকৌশল অবলম্বন করতে হবে, যা তাকে এর আগে কখনো করতে হয়নি। আগামীকাল শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত একটায় অনুষ্ঠিত হবে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচটি। বার্সেলোনা এবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের কাছে লিগ শিরোপা হারালেও জার্মান লিগে একেবারেই বাধাহীন ভাবে শিরোপা জয় করেছে বায়ার্ন। তারা জার্মান কাপও জয় করেছে।

মেসির বয়স এখন ৩৩ বছর। তারপরও তার উপর অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় বার্সেলোনাকে বেশি নির্ভরশীল হতে দেখা যাচ্ছে। ২০০৯ সালে পেপ গার্দিওলার নেতৃত্বাধীন কাতালান ক্লাবটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জয়েরর সময় কোয়ার্টার ফাইনালে এই বায়ার্নকেই পেয়েছিল প্রতিপক্ষ হিসেবে। ওই ম্যাচে মেসি একাই করেছিলেন দুই গোল। একই বছর তিনি আর্সেনালের বিপক্ষে করেছিলেন চারটি গোল। ২০১২ সালে বায়ার লিভারকুজেনের বিপক্ষে ৫ গোল করেছিলেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। তবে ওই দুই আসরে ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা।

২০১১ সালে সান্তিয়াগো বার্নব্যুতে রিয়াল মাদ্রিদকেও ডুবিয়েছিলেন মেসি। প্রথম লেগে তার জোড়া গোলের কল্যাণেই সেমিতে জায়গা করে নিতে পেরেছিল বার্সা। ওই ম্যাচে তার এমন একটি চমৎকার গোল রয়েছে যে গোলটি দীর্ঘদিন স্মরণ রাখবে দর্শকরা। ২০১৭ সালে প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) বিপক্ষে বার্সেলোনাকে অসাধারণ ভাবে ফিরিয়ে আনার কারিগর ছিলেন মেসি। শেষ ষোলর প্রথম লেগে ৪-০ গোলে পরাজিত দলটি ফিরতি লেগে ফরাসি জায়ান্টকে বিধ্বস্ত করেছিল ৬-১ গোলে।

বর্তমান সময়ে অবশ্য হুমকির ধরণ ভিন্ন। তার সহযোগী হিসেবে দলে আছেন লুইস সুয়ারেজ ও আঁতোয়ান গ্রিজম্যান। আর পেছনে থাকছেন ফ্রেঙ্কি ডি জং ও সার্জিও বাসকুইটস। কিছুটা দূরে থাকছেন জর্ডি আলবা। এমনকি রক্ষণে থাকা জেরার্ড পিকে এখনো লা লিগার সেরা ডিফেন্ডার। আর মার্স-আন্দ্রে টের স্টেগান হচ্ছেন বিশ্বের সেরা গোলরক্ষকদের একজন। সুতরাং মেসিকে একা কিছু করতে হচ্ছে না।

এদিকে বার্সা টিভিকে গ্রিজম্যান বলেন, 'বায়ার্ন তাদের পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে সত্যি ভালো খেলছে। তবে তাদের হরানোর অস্ত্র আমাদের আছে।' চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে এর আগে ছয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। বায়ার্নের জয় তিনটি, বার্সেলোনার দুইটি। অন্য ম্যাচটি ড্র। তবে দুই লেগ মিলিয়ে নকআউট পর্ব পেরুনোর হিসাবে বার্সেলোনা দুইবার এবং বায়ার্ন একবার সফল হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা