kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৩ আগস্ট ২০২০ । ২২ জিলহজ ১৪৪১

বিশ্বকাপের মাঝেই স্ত্রীকে আলমারিতে লুকিয়ে রাখেন সাকলাইন!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ জুলাই, ২০২০ ১৮:৫৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্বকাপের মাঝেই স্ত্রীকে আলমারিতে লুকিয়ে রাখেন সাকলাইন!

স্ত্রীদের সঙ্গে রাখা নিয়ে সবদেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গেই ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তাদের মতবিরোধ পরিচিত ঘটনা। কিন্তু নিজের কাছে রাখতে গিয়ে কোনো ক্রিকেটার যে তার স্ত্রীকে হোটেলের আলমারিতে লুকিয়ে রাখতে পারেন, এমন ঘটনা সচরাচর শোনা যায় না। কিন্তু এমনই অভিজ্ঞতা হয়েছিল পাকিস্তানের বিখ্যাত স্পিনার সাকলাইন মুস্তাকের। তাও আবার বিশ্বকাপ খেলতে গিয়েই।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাত্‍কারে নিজেই সেকথা জানিয়েছেন তিনি। সাকলাইন মুস্তাক জানিয়েছেন, ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে স্ত্রীদের সঙ্গেই হোটেলে থাকার অনুমতি পেয়েছিলেন ক্রিকেটাররা। কিন্তু টুর্নামেন্টের মাঝপথে পাকিস্তান বোর্ড থেকে হঠাৎই স্ত্রীদের সঙ্গে রাখা যাবে না বলে নির্দেশ আসে। যাতে আপত্তি ছিল সাকলাইন মুস্তাক। কারণ সেই সময় টুর্নামেন্টে দল ভালো  খেলছিল, সবকিছু ঠিকঠাকও চলছিল। এই অবস্থায় কিছুটা কুসংস্কারবশতই কোনো বদল আনতে চাননি বলে দাবি তার। বোর্ডের নির্দেশ নিয়ে নিজের আপত্তির কথা তিনি দলের কোচ রিচার্ড পাইবাসকেও জানিয়েছিলেন। যদিও সাকলাইনের এই আপত্তি মানতে চায়নি বোর্ড। এর পরই স্ত্রীকে ঘরের আলমারিতে লুকিয়ে রাখার ফন্দি আঁটেন তিনি। 

সাকলাইন মুস্তাক জানিয়েছেন, যখনই দলের ম্যানেজার, কোচ বা অন্য কোনো বোর্ড কর্মকর্তা ক্রিকেটারদের ঘর পরিদর্শনে আসতেন, তখন স্ত্রীকে আলমারির মধ্যে ঢুকিয়ে দিতেন তিনি। সতীর্থরা ঘরে আড্ডা মারতে এলেও একই পথ নিতেন সাকলাইন।

প্রাক্তন স্পিনার বলেন, এভাবেই একদিন এক বোর্ড কর্মকর্তা আমার ঘর পরিদর্শনে আসেন। দরজায় ধাক্কা শুনে স্ত্রীকে আলমারির মধ্যে লুকিয়ে রাখি। ওই বোর্ড কর্মকর্তা চলে যাওয়ার পর আমার দুই সতীর্থ আজহার মাহমুদ এবং ইউসুফ ঘরে আসেন। তারাও বোর্ডের এই নতুন নিয়ম নিয়ে কথা বলতে এসেছিলেন। কিন্তু তারা সন্দেহ করেন যে আমার সঙ্গে আমার স্ত্রী রয়েছে। তাদের জোরাজুরিতেই আমি স্ত্রীকে আলমারি থেকে বেরিয়ে আসতে বলি। 

সাকলাইন মুস্তাক জানান, এই ঘটনার পর পরই ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে পাকিস্তান হেরে যায়। ফলে দলের সবাই মুষড়ে পড়েন। পরিস্থিতিও থমথমে হয়ে যায়। হোটেলে ফিরেই তিনি স্ত্রীকে লন্ডনে তার অ্যাপার্টমেন্টে চলে যেতে বলেন। সাকলাইন অবশ্য জানিয়েছেন, স্ত্রী সঙ্গে থাকলেও দলের প্রতি তার দায়িত্ব যথাযথভাবেই পালন করতেন তিনি। ১৯৯৮ সালে তার বিয়ে হয়েছিল। তাই সকাল থেকে খেলা, অনুশীলনে কঠোর পরিশ্রম করার পর সন্ধ্যায় তিনি স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটাতেন।

সূত্র: নিউজ এইটিন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা