kalerkantho

বুধবার । ২৪ আষাঢ় ১৪২৭। ৮ জুলাই ২০২০। ১৬ জিলকদ  ১৪৪১

'ফুটবল ও জীবন কোনোটাই আর আগের মতো থাকবে না'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ জুন, ২০২০ ১৯:৪৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'ফুটবল ও জীবন কোনোটাই আর আগের মতো থাকবে না'

করোনা মহামারী কাটিয়ে উঠলেও ফুটবল ও জীবন কোনটাই আর আগের মতো স্বাভাবিক হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বার্সেলোনার সুপারন্টার লিওনেল মেসি। করোনার কারণে ইতোমধ্যেই বিশ্বজুড়ে প্রায় ৪ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচটি লিগের মধ্যে মে মাসের শুরুতে প্রথম লিগ হিসেবে মাঠে ফিরেছে জার্মান বুন্দেসলিগা। ১১ তারিখ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে মেসিদের লা লিগা।

সবগুলো লিগেই বাকি থাকা ম্যাচগুলো সবই দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে আয়োজিত হচ্ছে বা হবে। এতে করে ক্লাব, প্রতিযোগিতা ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলেই যে ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে তা কখনো কাটিয় ওঠা সম্ভব নয়। এক সাক্ষাতকারে মেসি বলেছেন, 'আমার মনে হয় না ফুটবল আবারো কখনো পুরনো চেহারায় ফিরতে পারবে। কিন্তু ফুটবলের বাইরেও স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও আর সম্ভব নয়। যেকোন ভাবেই হোক না কেন, এই পরিস্থিতি আমাদের প্রত্যেকের জীবনকে প্রভাবিত করেছে। যে কারণে সকলেই এই মুহূর্তগুলোকে আজীবন মনে রাখবে।

তিনি বলেন, 'বিশেষ করে যারা প্রিয়জনদের হারিয়েছেন তাদের জন্য এই হতাশা কখনই কাটবে না। আমি নিশ্চিত এতে করে ফুটবল ও সব ধরনের ক্রীড়াই দারুনভাবে প্রভাবিত হবে। বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে যারা অর্থলগ্নি করেছে তাদের ক্ষেত্রে মুহূর্তগুলো একটু বেশি কঠিন। একজন পেশাদার ফুটবলার হিসেবে অনুশীলন ও প্রতিযোগিতায় আমাদের ফিরতে হচ্ছে। কিন্তু আসলেই কি আগের মত স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে আমরা মাঠে নামতে যাচ্ছি। এটা সব ফুটবলারের জন্যই একটি আশ্চর্য্যজনক পরিস্থিতি।'

করোনায় যারা সামনে থেকে যুদ্ধ করে চলেছেন, সেই সমস্ত লড়াকু ডাক্তার-নার্সদের জন্য  মেসি ১ মিলিয়ন ইউরো দান করেছেন। এছাড়াও নিজের বাড়ি আর্জেন্টিনার হাসপাতাল ও চ্যারটিতেও মেসির এই অর্থ দান করা হয়েছে। এ সম্পর্কে তিনি বলেছেন, 'হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কেয়ার হোমগুলোতে যারা এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে সার্বক্ষণিক লড়াই করে যাচ্ছেন তাদের জন্য কিছু করতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। ভবিষ্যতে কি হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানিনা। লকডাউনের কারণে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তবে স্বজন হারানোর কষ্ট অনেক বড়। আমার কাছে এটা খুবই বেদনাদায়ক পরিস্থিতি।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা