kalerkantho

বুধবার । ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩ জুন ২০২০। ১০ শাওয়াল ১৪৪১

মেসি বার্সেলোনার 'চে গেভারা'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ এপ্রিল, ২০২০ ১৫:২৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেসি বার্সেলোনার 'চে গেভারা'

সমাজতান্ত্রিক কিউবার এক মহান বিপ্লবীর নাম চে গেভারা। এই কমিউনিস্ট বিপ্লবীর জন্ম কিন্তু আর্জেন্টিনার রোজারিওতে। যেখানে জন্ম এ যুগের ফুটবল মহাতারকার লিওনেল মেসির। জাতীয় দল আর বার্সেলোনার বাইরেও ফুটবলবিশ্বকেই যেন নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।  বিশেষ করে সম্প্রতি ক্লাবের অন্যায় বক্তব্যের বিপক্ষে তিনি যেভাবে বুক ফুলিয়ে দাঁড়িয়েছেন, তাতে তাকে এখন মার্ক্সবাদী বিপ্লবী চে গেভারার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। বিশ্বের বিখ্যাত সব গণমাধ্যমে চলছে মেসি বন্দনা।

করোইরাসের প্রকোপের মাঝে আর্থিক সংকটে পড়ে গেছে ফুটবল ক্লাবগুলো। কাতালান জায়ান্ট বার্সেলোনাও মেসিদের বেতন কর্তন করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ক্লাবের উদ্ধৃতি দিয়ে স্প্যানিশ গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয় যে, খেলোয়াড়েরা নাকি বেতন কর্তনে রাজি হতে চাননি। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই গতকাল ৩১ মার্চ ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটান মেসি। খেলোয়াড়রাই প্রথমে নিজেদের বেতন কর্তন করার প্রস্তাব দিয়েছে- জানিয়ে বার্সা কর্তৃপক্ষকে এক কথায় ধুয়ে দেন তিনি। এরপর থেকেই নতুন করে মেসি বন্দনায় মেতেছে পুরো বিশ্ব। ফ্রান্সের একটি দৈনিক তো তাকে 'চে গেভারা' আখ্যা দিয়ে দিয়েছে!

'লঁ একুইপে' মেসিকে চে'র সঙ্গে তুলনা করে একটি হেডলাইন করেছে। হেডলাইনটির অনুবাদ করলে দাঁড়ায় 'লিওনেল মেসি, বার্সার চে'। প্রচ্ছদে চে'র সেই বিখ্যাত ছবিটিতে মেসির মুখ ফটোশপ করে বসানো হয়েছে। মেসি নিজেও চে'র ভক্ত। এর আগে ২০১১ সালে একবার নিজ শহরে জন্মগ্রহণকারী বিপ্লবী চে'র ব্যাপারে নিজের আগ্রহের কথাও প্রকাশ করেছিলেন তিনি। কাতালান দৈনিক 'স্পোর্ত' তাদের ফ্রন্ট পেজে মেসির ছবি দিয়ে শুধু 'ধন্যবাদ' লেখেছে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম 'এসএস' কভার ফটো হিসেবে পুরো বার্সা স্কোয়াডকে তুলে ধরেছে। হেডলাইনে লেখা 'তারা বলছে যথেষ্ট হয়েছে'।

উল্লেখ্য, ক্লাবের প্রতি ক্ষোভ ঝেড়ে মেসি বলেছিলেন, 'আমরা একটুও অবাক হইনি, ক্লাব যখন আমাদেরকে সবার সামনে সন্দেহজনক হিসেবে তুলে ধরল! আমাদের এমন কিছু করতে বাধ্য করল যা আমরা এমনিতেই করতাম। আমরা বরং ইচ্ছা করেই সিদ্ধান্ত কিছুদিন পিছিয়েছি। কারণ আমরা এই কঠিন সময়ে ক্লাব ও কর্মীদের সবার যেন উপকার হয় এমন একটি পদ্ধতি বের করতে চেয়েছিলাম। এতদিন এ নিয়ে কথা বলিনি কারণ আমাদের মনে হয়েছে, ক্লাবকে সাহায্য করার সবচেয়ে বাস্তব উপায় খুঁজে বের করা এবং যাদের বেশি দরকার তাদের সাহায্য পাওয়া নিশ্চিত করাটা বেশি জরুরি।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা