kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ চৈত্র ১৪২৬। ৩১ মার্চ ২০২০। ৫ শাবান ১৪৪১

পাপনের বক্তব্যের পরও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় মুশফিক

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৭:৪৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাপনের বক্তব্যের পরও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় মুশফিক

গত দুই দফায় পাকিস্তান সফরে গিয়ে টি-টোয়েন্টি আর টেস্ট ভরাডুবি হয়েছে বাংলাদেশের। প্রতিটি মুহূর্তে মুশফিকুর রহিমকে মিস করেছে দল। কিন্তু নিরাপত্তা এবং পরিবারের অসম্মতির কারণে পাকিস্তানে যাননি মুশফিক। সম্প্রতি মুশফিকের এই অবস্থান নিয়ে তীর্যকভাবে সমালোচনা করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। এরপরেও পাকিস্তানে তৃতীয় দফার সফরে না যাওয়ার ব্যাপারে নিজের অনড় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন 'মি. ডিপেন্ডেবল'।

এই সিরিজের সূচি চূড়ান্ত হওয়ার আগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও জানিয়েছিলেন, কোনো ক্রিকেটার যেতে না চাইলে জোর করবেন না তারা। শেষ পর্যন্ত মুশফিক নিজেকে সরিয়ে নেন। একই কারণে তিনি পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) প্লেয়ার ড্রাফটসেও নাম দেননি। কিন্তু গত ২৫ ডিসেম্বর মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একামাত্র টেস্ট জয়ের পর সাংবাদিকদের কাছে মুশফিকের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন বিসিবি সভাপতি।

তিনি বলেন, 'একটা ভয় ছিল (পাকিস্তান সফর নিয়ে)। আমাদের ভয় ছিল। যারা গিয়েছে, তাদের ভয় ছিল না? কিন্তু এই সফরের পর, আমাদের ছেলেরা যখন খেলে আসছে, তার (মুশফিক) বাড়ির লোকও তো খেলে আসছে! আমি বলতে চাচ্ছি, রিয়াদের কিছু হলে কিছু হবে না, শুধু ওর (মুশফিক) বেলায় পুরো পরিবার কান্নাকাটি করবে নাকি? চিন্তিত নাকি? এরকম তো আমি বিশ্বাস করি না।'

এতকিছুর পরেও মুশফিক পাকিস্তান না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড়। একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাতকারে মুশফিকুর রহীম বলেন, 'আমি পাকিস্তান ইস্যুতে নিজের অবস্থান আগেই পরিষ্কার করেছি। তারাও (বিসিবি) সেটা গ্রহণ করেছে। আমি পিএসএলের ড্রাফটেও নাম দেইনি, এটার জন্য তাদের আমাকে সম্মান করা উচিত। আমার মনে হয় এখানে সবকিছুই স্পষ্ট, এটা ভবিষ্যতেও বদলাবে না। যারা পাকিস্তানে যাচ্ছে, তাদের জন্য আমার শুভকামনা রইল।'

বিসিবির সূত্রে জানা গেছে, গত জানুয়ারিতে পাকিস্তান সফর থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয়ায় মুশফিকুর রহিমের ওপর বেজায় চটেছিলেন বিসিবি বস। তখন এও শোনা গিয়েছিল, ক্ষুদ্ধ পাপন টিম ম্যানেজমেন্টকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে তাকে বাদ দেয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা হয়নি। বরং সেই টেস্টে ব্যাটিংয়ে নেমে ক্যারিয়ারের তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দেন 'মি. ডিপেন্ডেবল'। তার অপরাজিত ২০৩* রানে ভর করেই প্রায় ১৫ মাস পর টেস্ট জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা