kalerkantho

রবিবার । ২২ চৈত্র ১৪২৬। ৫ এপ্রিল ২০২০। ১০ শাবান ১৪৪১

দুর্বল বন্ধুর বিপক্ষে এলো কাঙ্ক্ষিত জয়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৪:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দুর্বল বন্ধুর বিপক্ষে এলো কাঙ্ক্ষিত জয়

ছবি : এএফপি

বাংলাদেশের ক্রিকেটের অকৃত্রিম বন্ধু জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের খারাপ সময়ে তাদের পাশে পাওয়া যায়। যেমন গত এক বছর টেস্টে শুধু হেরেই যাচ্ছিল বাংলাদেশ। দলকে চাঙ্গা করতে দরকার ছিল একটা জয়ের। এমন মুহূর্তে পাশে পাওয়া গেল খর্বশক্তির জিম্বাবুয়েকে। মিরপুর শের-ই-বাংলায় অনুষ্ঠিত একমাত্র টেস্ট চার দিনেই ইনিংস আর ১০৬ রানের ব্যবধানে জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। অথচ এই বাংলাদেশই সর্বশেষ ১০ ইনিংসে আড়াইশর বেশি স্কোর করতে পারেনি। হেরেছে ইনিংস ব্যবধানে। অতঃপর দুর্বল বন্ধুদের বিপক্ষেই এল প্রত্যাশিত জয়।

দুই উইকেট হারিয়ে গতকালই বিপদে পড়েছিল জিম্বাবুয়ে। আজ মঙ্গলবার সকালে প্রথম আঘাত হানেন তাইজুল ইসলাম। ওপেনার কেভিন কাসুজাকে (১০) ফেরত পাঠান তিনি। এর কিছুক্ষণ পর নিজের তৃতীয় শিকার ধরেন নাঈম। ফিরে যান বিপজ্জনক ব্রেন্ডন টেইলর (১৭)। ৪৪ রানে ৪ উইকেট হারায় অতিথিরা। এরপর প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন সিকান্দার রাজা এবং অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন। মধ্যাহ্ণ বিরতির আগে দলীয় ১০৪ রানে আরভিন (৪৩) রান-আউট হলে ইনিংসের অর্ধেক শেষ হয় জিম্বাবুয়ের।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। তাইজুলের বলে মুশফিকের তালুবন্দি হন অল-রাউন্ডার সিকান্দার রাজা (৩৭)। এই স্পিনারের তৃতীয় শিকার উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান রেগিস চাকাভা (১৮)। প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট নেওয়া নাঈম আজ নিজের চতুর্থ শিকার ধরেন আইন্সলে এনডিলোভুকে (৪) আউট করে। অবশেষে আজ ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ৫ উইকেট প্রাপ্তি হয়ে যায় নাঈমের। তার বলে টিমিসেন মারুমা (৮) আউট হলে ১৮১ রানে অতিথিদের ৯ম উইকেটের পতন হয়। তাইজুলের চতুর্থ শিকারে জিম্বাবুয়ের ইনিংস শেষ হয় ১৮৯ রানে। বাংলাদেশ এক ইনিংস আর ১০৬ রানের বিশাল ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেয়।

গতকাল দিনের শেষ সেশনে বাংলাদেশের ইনিংস ঘোষণার পর নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে বিপদে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই , প্রিন্স মাসভাউরেকে (০) তুলে নেন নাঈম হাসান। পরের বলেই তিনে নামা ডোনাল্ড ট্রিপানো (০) লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি হন। তবে সম্ভাবনা জাগিয়েও হ্যাটট্রিক হয়নি নাঈমের। সফরকারীরা তৃতীয় দিন শেষ করে ৫ ওভারে ২ উইকেটে ৯ রান তুলে।

এর আগে জিম্বাবুয়ের প্রথম ইনিংসে করা ২৬৫ রানের জবাবে ৬ উইকেটে ৫৬০ রান তুলে নিজেদের প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। অধিনায়ক মুমিনুল হক আর মুশফিকুর রহিম চতুর্থ উইকেটে গড়েন ২২২ রানের দারুণ এক জুটি। ১৫৬ বলে ১২ বাউন্ডারিতে ক্যারিয়ারর ৯ম এবং অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন মুমিনুল হক। শেষ পর্যন্ত ২৩৪ বলে ১৪ বাউন্ডারিতে ১৩২ রানের ইনিংস উপহার দেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৩১৫ বলে ২২ বাউন্ডারিতে মুশফিক হাঁকান ক্যারিয়ারের তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি। অপরাজিত থাকেন ২০৩* রানে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা