kalerkantho

সোমবার  । ১৬ চৈত্র ১৪২৬। ৩০ মার্চ ২০২০। ৪ শাবান ১৪৪১

নাঈম-তাইজুলের ঘূর্ণিতে দিশেহারা জিম্বাবুয়ে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১০:৩৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নাঈম-তাইজুলের ঘূর্ণিতে দিশেহারা জিম্বাবুয়ে

ছবি : এএফপি

২৯৫ রান পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করছে জিম্বাবুয়ে। তবে তাদের অবস্থা মোটেও ভালো নয়। বাংলাদেশের ঘূর্ণি তারকাদের সামনে অসহায় হয়ে পড়েছে অতিথিরা। ৪৪ রানে তাদের ৪ উইকেট পড়ে গেছে। এর মাঝে গতকাল ম্যাচের তৃতীয় দিনে পড়েছিল ২টি। আজ সকালে প্রথম আঘাত হানেন তাইজুল ইসলাম। ওপেনার কেভিন কাসুজাকে (১০) ফেরত পাঠান তিনি। এর কিছুক্ষণ পর নিজের তৃতীয় শিকার ধরেন নাঈম। ফিরে যান বিপজ্জনক ব্রেন্ডন টেইলর (১৭)।

গতকাল দিনের শেষ সেশনে বাংলাদেশের ইনিংস ঘোষণার পর নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে খেই হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। দিনের শেষ সময়টা উইকেটে টিকে থাকা খুব কঠিন ব্যাপার। এই সুযোগটা নিতেই হয়তো তড়িঘড়ি ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই , প্রিন্স মাসভাউরেকে (০) তুলে নেন নাঈম হাসান। পরের বলেই তিনে নামা ডোনাল্ড ট্রিপানো (০) লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি হন। তবে সম্ভাবনা জাগিয়েও হ্যাটট্রিক হয়নি নাঈমের। সফরকারীরা তৃতীয় দিন শেষ করেছে ৫ ওভার ব্যাট করে ২ উইকেটে ৯ রান তুলে।

জিম্বাবুয়ের প্রথম ইনিংসে করা ২৬৫ রানের জবাবে ৬ উইকেটে ৫৬০ রান তুলে নিজেদের প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। ৩ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষ করা টিম টাইগারকে সোমবার গিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন গতকালের অপরাজিত দুই ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক আর মুশফিকুর রহিম। দিনের প্রথম সেশনেই ক্যারিয়ারর ৯ম এবং অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন মুমিনুল হক। এজন্য তিনি খেলেছেন ১৫৬ বল, হাঁকিয়েছেন ১২টি বাউন্ডারি। সাবলীল ব্যাটিংয়ে ৯৫ বলে ফিফটি করে ফেলেন মুশফিকও। দ্রুত ঘুরতে থাকে রানের চাকা।

৯৯* রানে অপরাজিত থেকে লাঞ্চে গিয়েছিলেন মুশফিক। মাঠে ফিরেই তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৭ম সেঞ্চুরি। তিনি খেলেছেন ১৬০ বল, হাঁকিয়েছেন ১৮টি বাউন্ডারি। মুমিনুলের বিদায়ে ২২২ রানের চতুর্থ উইকেট জুটির অবসান হয়। ২৩৪ বলে ১৪ বাউন্ডারিতে ১৩২ রানের ইনিংস উপহার দেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। যিনি এই টেস্টে সেঞ্চুরি করার কথা দিয়েছিলেন সাংবাদিকদের। মুশফিক এগিয়ে যাচ্ছিলেন ডাবল সেঞ্চুরির দিকে। এর মাঝে মোহাম্মদ মিঠুন ১৭ রানে আউট হয়ে যান। লিটন দাসের সঙ্গে জুটি জমে ওঠে মুশফিকের। ৯৫ বলে ৫৩ রান করে লিটন আউট হলে অবসান হয় ১১১ রানের জুটির।

দারুণ ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারের তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি করে ফেলেন মুশফিক। এই মাইলফলকে পৌঁছতে মুশফিক খেলেছেন ৩১৫ বল, হাঁকিয়েছেন ২৮টি বাউন্ডারি। এই ম্যাচের আগ পর্যন্ত তার সর্বোচ্চ স্কোর অপরাজিত ২১৯* রান। ২০১৮ সালের নভেম্বরে এই মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই তিনি ইনিংসটি খেলেছিলেন। তার ডাবলের পর আজ ৬ উইকেটে ৫৬০ রানে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। বাউন্ডারি মেরে ডাবল সেঞ্চুরি করা মুশি অপরাজিত থাকেন ২০৩* রানে। তাইজুল অপরাজিত থাকেন ১৪ রানে। জিম্বাবুয়ের সামনে লিড দাঁড়ায় ২৯৫ রানের।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা