kalerkantho

রবিবার । ২২ চৈত্র ১৪২৬। ৫ এপ্রিল ২০২০। ১০ শাবান ১৪৪১

বাংলাদেশের ইনিংস ঘোষণা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৬:৩৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাংলাদেশের ইনিংস ঘোষণা

ছবি : এএফপি

মুশফিকুর রহিমের ডাবল সেঞ্চুরির অপেক্ষাতেই ছিল পুরো বাংলাদেশ। দিনের শেষ সেশনেও যেভাবে রান উঠছিল, তাতে অনেকে দলের স্কোর ছয় শর বেশি দেখছিলেন। কিন্তু ক্রিকেটপ্রেমীদের সেই আশা পূরণ হলো না। মুশফিকের ডাবলের পরই ৬ উইকেটে ৫৬০ রানে ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। স্বাগতিক ব্যাটসম্যানরা প্রথম ইনিংসে পুরো ১৫৪ ওভার ব্যাট করেছে। ১০ ইনিংস পর টেস্টে আড়াইশর ঘর পার করল বাংলাদেশর স্কোর। জিম্বাবুয়ের সামনে লিড দাঁড়িয়েছে ২৯৫ রানের। বাংলাদেশের সামনে ইনিংস জয়ের সুযোগ।

আজ সোমবার সকাল থেকেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন গতকালের অপরাজিত দুই ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক আর মুশফিকুর রহিম। দিনের প্রথম সেশনেই ক্যারিয়ারর ৯ম এবং অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন মুমিনুল হক। এজন্য তিনি খেলেছেন ১৫৬ বল, হাঁকিয়েছেন ১২টি বাউন্ডারি। সাবলীল ব্যাটিংয়ে ৯৫ বলে ফিফটি করে ফেলেন মুশফিকও। দ্রুত ঘুরতে থাকে রানের চাকা। ৯৯* রানে অপরাজিত থেকে লাঞ্চে গিয়েছিলেন মুশফিক। মাঠে ফিরেই তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৭ম সেঞ্চুরি। তিনি খেলেছেন ১৬০ বল, হাঁকিয়েছেন ১৮টি বাউন্ডারি।

মুমিনুলের বিদায়ে ২২২ রানের চতুর্থ উইকেট জুটির অবসান হয়। ২৩৪ বলে ১৪ বাউন্ডারিতে ১৩২ রানের ইনিংস উপহার দেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। যিনি এই টেস্টে সেঞ্চুরি করার কথা দিয়েছিলেন সাংবাদিকদের। মুশফিক এগিয়ে যাচ্ছিলেন ডাবল সেঞ্চুরির দিকে। এর মাঝে মোহাম্মদ মিঠুন ১৭ রানে আউট হয়ে যান। লিটন দাসের সঙ্গে জুটি জমে ওঠে মুশফিকের। ৯৫ বলে ৫৩ রান করে লিটন আউট হলে অবসান হয় ১১১ রানের জুটির।

দারুণ ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারের তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি করে ফেলেন মুশফিক। এই মাইলফলকে পৌঁছতে মুশফিক খেলেছেন ৩১৫ বল, হাঁকিয়েছেন ২৮টি বাউন্ডারি। এই ম্যাচের আগ পর্যন্ত তার সর্বোচ্চ স্কোর অপরাজিত ২১৯* রান। ২০১৮ সালের নভেম্বরে এই মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই তিনি ইনিংসটি খেলেছিলেন। তার ডাবলের পর আজ ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। বাউন্ডারি মেরে ডাবল সেঞ্চুরি করা মুশি অপরাজিত থাকেন ২০৩* রানে। তাইজুল অপরাজিত থাকেন ১৪ রানে।

৩ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিল বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ইনিংসের শুরুতেই ভিক্টর নাউচির বলে তরুণ সাইফ ফিরেছেন মাত্র ৮ রান করে। এরপর নাজমুলের সঙ্গে জুটিতে ৭৮ রান আসতেই ডোনাল্ড ত্রিপানোর বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ৮৯ বলে ৭ বাউন্ডারিতে ৪১ রান করা তামিম ইকবাল। ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি করা নাজমুল ১৩৯ বলে ৭ চারে ৭১ রানের ইনিংস খেলে টিশুমার শিকার হন। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ৬৮ রানের জুটিতে দিনের বাকি সময় নির্বিঘ্নে কেটে যায়।

এর আগে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটে ২২৬ রানে অল-আউট হয় জিম্বাবুয়ে। দলীয় ৭ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ১১১ রানের জুটি গড়েন প্রিন্স মাসভাউরে (৬৪) এবং অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন। বিপজ্জনক ব্রেন্ডন টেইলর (১০), সিকান্দার রাজা (১৮) বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। তবে সবার বিপরীতে দাঁড়িয়ে ২১৩ বলে ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন ক্রেইগ আরভিন। দ্বিতীয় দিন প্রথম সেশনেই অল-আউট হয় জিম্বাবুয়ে। ৪টি করে উইকেট নিয়েছেন আবু জায়েদ আর নাঈম হাসান। ২টি নিয়েছেন তাইজুল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা