kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৬ চৈত্র ১৪২৬। ৯ এপ্রিল ২০২০। ১৪ শাবান ১৪৪১

টেন্ডুলকারের সেই বিখ্যাত ছবিই ২০ বছরের সেরা ক্রীড়া মুহূর্ত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৮:৩৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টেন্ডুলকারের সেই বিখ্যাত ছবিই ২০ বছরের সেরা ক্রীড়া মুহূর্ত

২০১১ সাল। শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বাধীন ভারতের ঘরে দ্বিতীয়বারের মতো আসে বিশ্বকাপ শিরোপা। ম্যাচ শেষে দেখা যায়, বিরাট কোহলি, ইউসুফ পাঠানদের কাঁধে চড়ে ওয়াংখেড়ে প্রদক্ষিণ করছেন শেষ বিশ্বকাপ খেলতে নামা 'মাস্টার ব্লাস্টার' শচীন টেন্ডুলকার। ২০১১ বিশ্বকাপ জেতার পরের এই দৃশ্য ২০ বছরের সেরা ক্রীড়া মুহূর্তের লড়াইয়ে জিতে নিয়েছে সেরার সম্মান। সেরা ক্রীড়া মুহূর্তের জন্য লরিয়াস ক্রীড়া পুরস্কার পেয়েছেন শচীন।

বার্লিনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে একশ সেঞ্চুরির মালিক টেন্ডুলকারের নাম ঘোষণা করেন টেনিসের কিংবদন্তি বরিস বেকার। শচীনের হাতে পুরস্কার তুলে দেন তার একসময়ের প্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ ওয়াহ। ট্রফি হাতে নিয়ে শচীন বলেন, 'এই অনুভূতি অবিশ্বাস্য। বিশ্বকাপ জেতার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। খুব কমই এমন ইভেন্ট হয়, যখন গোটা দেশ আনন্দে উদ্বেল হয়ে ওঠে। আর এটাই প্রমাণ করে খেলাধুল সত্যিই শক্তিশালী এবং মানুষের জীবনে তা ম্যাজিকের মতো প্রভাব ফেলে।'

স্মৃতিচারণ করে শচীন বলেন, '১৯৮৩ সালে আমার বয়স তখন ১০। সেই বছরই ভারত বিশ্বকাপ জিতেছিল। ওই বয়সে বিশ্বকাপ জেতার তাৎপর্য আমি বুঝতে পারিনি। সবাই আনন্দ করছিল তাই আমিও সবার সঙ্গে আনন্দে মেতে উঠি। কিন্তু এটা যে দারুণ একটা সাফল্য, তা বুঝতে পারছিলাম। মনে মনে তখনই স্থির করেছিলাম কোনো একদিন আমিও এমন কোনো মুহূর্তের সাক্ষী হব।'

তারপর থেকেই সেই স্বপ্নের পিছনে ছুটে যান শচীন। তার সেই স্বপ্ন সত্যি হয় ২০১১ সালে। শচীন বলেন, 'বিশ্বকাপ হাতে আমি, এটা আমার জীবনের সব চেয়ে গর্বের মুহূর্ত। ২২ বছর ধরে আমি একটা স্বপ্নের পিছনে ছুটে গিয়েছি। কখনও আশা হারাইনি। পুরো দেশের হয়ে সে দিন আমি ট্রফি হাতে তুলে নিয়েছিলাম।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা