kalerkantho

শনিবার । ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৪ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

সেই 'সেভেনআপ' খেয়ে কেঁদেছিলেন জুলিও সিজার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ জানুয়ারি, ২০২০ ২১:৫৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সেই 'সেভেনআপ' খেয়ে কেঁদেছিলেন জুলিও সিজার

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে ফিফার শুভেচ্ছাদূত হয়ে বাংলাদেশে এসেছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি গোলকিপার জুলিও সিজার। যিনি ব্রাজিলের এক বিতর্কিত আর সমালোচিত দলের সদস্যও বটে। যে দল ঘরের মাঠে ২০১৪ বিশ্বকাপে জার্মানির কাছে ৭ গোল খেয়ে 'সেভেনআপ' নামে ট্রলের শিকার হয়ে আসছে। আরেকটি বিশ্বকাপ জয় না করলে এই দুর্নাম ঘুচবে বলে মনে হয়না পাঁচবারের বিশ্বজয়ীদের। জুলিও সিজার বাংলাদেশে এসেও ওই ম্যাচ নিয়ে কথা বলতে বাধ্য হলেন। সঙ্গে এটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, 'ব্রাজিল ফুটবলের দেশ। এখানে অনেক তারকার জন্ম হয়েছে'।

শিরোপা জয়ের 'হেক্সা মিশনে' থাকা ব্রাজিল সেই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোল হজমের রেকর্ড গড়েছিল! সেটাও আবার নিজেদের মাটিতে।পরেরবার রাশিয়া বিশ্বকাপেও তারা ছিটকে গেছে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে। ৬ বছর আগের 'ভয়াবহ' সেমিফাইনাল ম্যাচটি নিয়ে আজ কেউ প্রশ্ন করার আগেই সিজার বলতে শুরু করেন, 'এখন আপনারা প্রশ্ন শুরু করতে পারেন। তবে সবাই শান্ত থাকুন। আমি বলতে চাই, কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করবেন না ২০১৪ বিশ্বকাপের সেই ম্যাচে কী হয়েছিল (অট্টহাসি)। সবাই এটা মানছেন তো? (কয়েক মুহূর্ত অপেক্ষা করে) আমি মজা করছি (হাসি)। সবাইক ধন্যবাদ।'

জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে হারের ৬ বছর পর বাংলাদেশে এসে জুলিও সিজার শোনালেন তখনকার ড্রেসিংরুমের পরিস্থিতির গল্প, 'সেই ম্যাচ! কেউই তখন বেশি কথা বলছিল না, সবাই চুপচাপ ছিলাম। কারণ ওই মুহূর্তটা আমরা এবং আমাদের সমর্থকদের জন্য খুবই কঠিন ছিল। কেউই ব্যাখ্যা করতে পারছিলাম না আসলে কী হলো সে ম্যাচে। এই ব্যাপারে ভাবাও অনেক কঠিন। ড্রেসিংরুমে সবাই নীরব ছিল। বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় কান্না করছিল। তাদের মধ্যে একজন ছিলাম আমি (হাসি)। কিন্তু ফুটবলে এমন হতেই পারে। সেটা হোক প্রথম ম্যাচ বা শেষ ম্যাচ।'

সিজার জানান, তার নিজের কষ্টটা একটু বেশিই ছিল, কারণ সেটি ছিল তার শেষ বিশ্বকাপ, 'আমাদের সেই দলের অনেক খেলোয়াড়ই ২০১৮ সালের বিশ্বকাপেও খেলেছে; কিন্তু আমার জন্য ২০১৪ই ছিল শেষ। তখনই আমার বয়স ছিল ৩৪-৩৫।সেই মুহূর্তে আমরা কথাই বলতে পারছিলাম না। তারপরও অনুশীলন করতে হয়েছে। কারণ তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বাকি ছিল। এটাও আমার জন্য নতুন এক অভিজ্ঞতা। কারণ, তার আগে যতবারই সেমিফাইনালে খেলেছি, সেটিকে ফাইনালে নিতে পেরেছিলাম আমরা। সবকিছুর পর ভবিষ্যতের জন্য আপনাকে তৈরি করতে হবে এবং বিশ্বাস করতে হবে যে সেটা একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা