kalerkantho

রবিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০২০। ৫ মাঘ ১৪২৬। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

আবারও চট্টগ্রামের জয়ের নায়ক ইমরুল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৬:৫৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আবারও চট্টগ্রামের জয়ের নায়ক ইমরুল

ব্যাটিং ব্যর্থতায় বড় স্কোর করতে পারেনি রংপুর রেঞ্জার্স। দলের পুরো রানের অর্ধেকটাই এসেছে নাঈম শেখের ব্যাট থেকে। এই সুযোগ কি আর হাতছাড়া করা যায়? কেসরিক ওয়ালটনের হাফ সেঞ্চুরি আর ইমরুল-ফার্নান্দোদের দারুণ ব্যাটিংয়ে ১০ বল হাতে রেখে সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। রংপুর রেঞ্জার্সকে হারতে হয় ৬ উইকেটে।

১৫৮ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে দারুণ সূচনা করে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। কেসরিক ওয়ালটন এবং আভিস্কা ফার্নান্দো উপহার দেন ৬৮ রানের ওপেনিং জুটি। লঙ্কান তারকা আভিস্কা ২৩ বলে ৩৭ রান করে আউট হলে জুটির অবসান হয়। ইমরুল কায়েসের সঙ্গে ৪১ রানের জুটি গড়ে ফিরেন ওয়ালটন। গ্রেগরির বলে শেষ হয় তার ৩৪ বলে ৪ বাউন্ডারি ৩ ওভার বাউন্ডারিতে গড়া ৫০ রানের ইনিংস। ইমরুলের সঙ্গে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। এসময় পরপর দুই উইকেট হারায় চট্টগ্রাম।

অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ১৬ বলে ১৫ রান করে অ্যাবেলের শিকার হন। নাসির হোসেন ব্যর্থতার ডালা সাজিয়ে আউট হন ৩ রানে। একপ্রান্ত আগলে লড়তে থাকেন ইমরুল। তার দারুণ ব্যাটিংয়েই ১০ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ৩৩ বলে ৩ চার ২ ছক্কায় ৪৪* রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন ইমরুল। জয়ের জন্য ৭ বোলার ব্যবহার করেছেন রংপুর অধিনায়ক মোহাম্মদ নবি। কিন্তু কাজে আসেনি। ২ উইকেট পেয়েছেন গ্রেগরি। ১টি করে পেয়েছেন নবি আর অ্যাবেল। মুস্তাফিজ যথারীতি ৩ ওভারে ২০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য।

এর আগে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৭ রান সংগ্রহ করে রংপুর রেঞ্জার্স। হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করা রংপুর দলীয় ২৫ রানে প্রথম ধাক্কা খায়। নড়বড়ে ব্যাটিংয়ে ৯ রানে উইলিয়ামসের শিকার হন মোহাম্মদ শাহজাদ। ইংলিশ ক্রিকেটার টম অ্যাবেল ফিরেন ১০ রানে। চলতি আসরে প্রথমবার খেলতে নামা মাহমুদউল্লাহর শিকার জয়ে মাত্র ৬ রানে ফিরেন জহুরুল ইসলাম। এই যখন অবস্থা, তখন একপ্রান্ত আগলে ব্যাট করছিলেন নাঈম।

পঞ্চম উইকেটে আরেক আফগান মোহাম্মদ নবির সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্ট করেন তিনি। তবে জুটি জমে উঠতেই উইলিয়ামসের শিকার হন ১২ বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ রান করা নবি। এরপর নাঈমকে ফেরান রুবেল হোসেন। বাকিরা তখন আসা-যাওয়ার মিছিলে নামেন। নাদিফ চৌধুরী ২, রিশাদ হোসেন ১, আরাফাত সানি ৩* এবং তাসকিন আহমেদ ১১* রান করেন। রংপুরের স্কোর দাঁড়ায় ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৭ রান। ২টি করে উইকেট নেন উইলিয়ামস এবং রায়ান বুরি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা