kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

মেসিহীন বার্সার কাছে ইন্টারের হার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১১:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেসিহীন বার্সার কাছে ইন্টারের হার

বার্সেলোনার একাদশে ছিলেন না লিওনেল মেসি, জেরার্ড পিকে, সার্জিও রবার্তোর মতো তারকারা। তাতে তারুণ্যনির্ভর দলে পরিণত হয় তারা। তবু তাদের সঙ্গে পেরে উঠল না পূর্ণশক্তির ইন্টার মিলান। চ্যাম্পিয়নস লিগে এফ গ্রুপের ম্যাচে কাতালানদের কাছে ২-১ গোলে হেরে গেছেন ইতালিয়ান জায়ান্টরা। সেই সঙ্গে ইউরোপসেরা টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় ঘটল তাদের।

আগেই শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে বার্সা। ফলে এ ম্যাচ ছিল তাদের জন্য কেবল নিয়মরক্ষার। সেখানে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে ইন্টারের সামনে জয়ের বিকল্প ছিল না। এ সমীকরণ নিয়ে মঙ্গলবার রাতে সানসিরোয় স্প্যানিশ জায়ান্টদের আতিথ্য দেন নেরাজ্জুরিরা।

ইন্টারের সূচনালগ্নে প্রখর গতি আর নিখুঁত পাসে ছন্দময় ফুটবল উপহার দেন তারা। সেখানে অগোছালো দেখা যায় বার্সাকে। তবে খেলার ধারার বিপরীতে ২৩ মিনিটে এগিয়ে যায় তারাই। আঁতোয়া গ্রিজম্যানের পাস ধরে নিশানাভেদ করেন কার্লেস পেরেজ। গোল হজম করে আক্রমণের গতি বাড়ায় ইন্টার। মুহুর্মুহু আক্রমণে বার্সার রক্ষণসেনাদের ব্যতিব্যস্ত রাখেন তারা। তবে সহসা সাফল্য মিলছিল না। অবশেষে ৪৪ মিনিটে সৌভাগ্যসূচক গোলে সমতায় ফেরেন স্বাগতিকরা। লাউতারো মার্তিনেসের বাড়ানো বল থেকে ঠিকানায় পাঠান রোমেলু লুকাকু।

বিরতি থেকে দ্বিতীয়ার্ধে ফিরেও আক্রমণের ধারা বজায় রাখে ইন্টার। বেশ কিছু সহজ সুযোগও পান তারা। তবে সেসব কাজে লাগাতে পারেননি দলটির খেলোয়াড়রা। মার্টিনেস ও লুকাকু একবার করে জালে বল জড়ান। তবে অফসাইডের কবলে পড়ে দুটিই বাতিল হয়ে যায়। ৮৫ মিনিটে পেরেজকে উঠিয়ে আনুস ফাতিকে মাঠে নামান বার্সা কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দে। তাতেই পাশার দান উল্টে যায়। পরের মিনিটেই দলকে কাঙ্ক্ষিত গোল পাইয়ে দেন ১৭ বছর বয়সী ফুটবল সেনসেশন। লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে বল দেয়া-নেয়া করে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। শেষ অবধি ২-১ গোলের জয় মাঠ ছাড়েন অতিথিরা।

এতে ৬ ম্যাচে ৪ জয় ও ২ ড্রয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপসেরা হয়ে শেষ ষোলোয় উঠল বার্সেলোনা। রাতের অপর ম্যাচে স্লাভিয়া প্রাহাকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে পা রেখেছে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। মাত্র ৭ পয়েন্ট নিয়ে বিদায় ঘণ্টা বাজল ইন্টারের।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা