kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

মঞ্চ ও ভিআইপি ফ্যাক্ট

বিপিএলের উদ্বোধন দেখার সুযোগ পাবেন অল্প সংখ্যক দর্শক!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৯:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিপিএলের উদ্বোধন দেখার সুযোগ পাবেন অল্প সংখ্যক দর্শক!

আর মাত্র ৪ দিন পর মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন আগেই বলে দিয়েছেন, এমন জমকালো আয়োজন আর কখনই হয়নি। দিন দুয়েক ধরে মাঠের পূর্ব প্রান্তে মঞ্চ নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে গেছে। রং করা হচ্ছে। তবে সাধারণ দর্শকদের জন্য দুঃসংবাদই আছে। মাত্র ৫ হাজারের মতো দর্শক এই জমকালো উদ্বোধনী আয়োজন মাঠে বসে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন!

বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী ঘিরে এই আয়োজনের কর্মযজ্ঞ কীভাবে চলছে তা আজ স্বচক্ষে পরিদর্শন করেন বিসিবি সভাপতি। তিনি বলেন, 'মাঠে খুব অল্প সংখ্যক দর্শককে আমরা জায়গা দিতে পারব। মঞ্চের পেছন দিকে কিংবা দুই পাশেও পারছি না। মাঠের ভেতরে পিচ বা মাঠ নষ্ট হতে পারে। কাজেই এখানেও জায়গা দিতে পারছি না। ভিভিআইপিদের জন্য কিছু চেয়ার মাঠে মঞ্চের দুই পাশে থাকবে। সব মিলিয়ে ৮ হাজারের বেশি দর্শককে জায়গা দেওয়া কঠিন হবে।সেখানে আমাদের কাউন্সিলরদের দিতে হবে, ক্লাবগুলোকে দিতে হবে, স্পন্সর, সরকারী বিভিন্ন সংস্থাকে দিতে হবে। এরপর হাজার পাঁচেক টিকিট আমরা সাধারণ দর্শককে দিতে পারব।'

২৫ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন মিরপুর শের-ই-বাংলায় সবচেয়ে বেশি দর্শক হয় পূর্ব গ্যালারিতে। কিন্তু এই গ্যালারির সামনেই তৈরি হচ্ছে মঞ্চ। সুতরাং সেটা ঢাকা পড়ে যাবে। মঞ্চের ঠিক দুই পাশের গ্যালারি থেকেও ততটা দেখা যাবে না, তাই সেখানেও ফাঁকা থাকবে অনেকটা। প্রেসিডেন্ট বক্সে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার নিরাপত্তার জন্য গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের অনেকটা অংশ ফাঁকা রাখতে হবে। এছাড়া ভিআইপি ও অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য অনেক জায়গা ছেড়ে দিতে হবে। সব মিলিয়ে সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য মাঠে বসে উদ্বোধন দেখার সুযোগটা কমে গেছে।

স্টেডিয়ামের গ্যালারির বেশিরভাগ চেয়ার ভেঙে গেছে। বসার উপায় নেই। নর্দার্ন গ্যালারির অনেকটা জায়গা থেকে চেয়ার উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পাপন বলেন, 'সবসময় আমরা বাইরে থেকে চেয়ার আমদানি করে আনতাম। যাদের কাছ থেকে আমদানি করেছি, ওদের সঙ্গে অনেক যোগাযোগ করেছি। দেব-দিচ্ছি করে আর তারা চেয়ার পাঠায়নি। এখন জরুরি ভিত্তিতে চেয়ার বদলানো দরকার। তাই ঠিক করেছি, এই প্রথমবার স্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠান থেকে চেয়ার নিচ্ছি। ওদেরগুলো ভালো হলে, টেকসই হলে, ভবিষ্যতেও এখান থেকে নেওয়া হবে।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা