kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

তিন বাংলাদেশি নারীকে দেহ ব্যবসায় বাধ্য, ভারতীয় দম্পতি অভিযুক্ত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ নভেম্বর, ২০১৯ ১১:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তিন বাংলাদেশি নারীকে দেহ ব্যবসায় বাধ্য, ভারতীয় দম্পতি অভিযুক্ত

সিঙ্গাপুরে তিন বাংলাদেশি নারীকে বিনা বেতনে নাইটক্লাবে নাচতে বাধ্য করা হয়

তিন বাংলাদেশি নারী পাচার ও নিপীড়নের দায়ে সিঙ্গাপুরে দুই ভারতীয় নাগরিককে সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হতে পারে। নতুন মানবপাচার আইনের আওতায় এটিই প্রথম মামলা। খবর ডয়েচে ভেলের। 

২০১৫ সাল থেকে সিঙ্গাপুরে মানবপাচার আইন কার্যকর হয়েছে৷ এরপর প্রথম যে ঘটনাটি সামনে এসেছে, তাতে উঠে এসেছে তিন বাংলাদেশি নারীর কথা।

আগের খবর: বাংলাদেশি নৃত্যশিল্পীকে সিঙ্গাপুরে যৌনকর্মী বানাল ভারতীয় দম্পতি

মাসিক ৬০ হাজার টাকা বেতনের কথা বলে বাংলাদেশ থেকে তিন নারীকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে এসেছিল এক ভারতীয় দম্পতি। এরপর তাদের পাসপোর্ট ছিনিয়ে নিয়ে আটক করে রাখা হয়৷ ভারতীয় দম্পতির একটি নাইটক্লাব রয়েছে সিঙ্গাপুরে, যেখানে প্রতিদিন বিনা পারিশ্রমিকে নাচতে বাধ্য করা হতো এই নারীদের৷ তাদের মধ্যে একজনকে জোর করে দেহ ব্যবসাতেও নামানো হয় বলে অভিযোগ।

তিন নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। আগামী ১৯ ডিসেম্বর ঐ ভারতীয় দম্পতির সাজার মেয়াদ ঘোষণা করা হবে৷ এতে সর্বোচ্চ ১০ বছরের জেল ও বেত্রাঘাতের সাজা দেয়া হতে পারে।

মানবপাচার বিরোধী সংগঠনগুলির মত, এই দৃষ্টান্তমূলক সাজার ফলে সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষ ও মানবপাচারের সাথে জড়িতদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে৷ মানবপাচার বিরোধী সংগঠন হাগার ইন্টারন্যাশনালের প্রধান মাইকেল চিয়াম সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে জানান, ‘‘চাকরিদাতাদের কখনোই ভাবা উচিত নয় যে মানবপাচার ও এমন অপরাধ করে তারা আইনকে ফাঁকি দিতে পারবে৷’’

একই আইনের আওতায় আরো দুটি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। 

উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুরে মোট ৫৬ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে ১০ লাখ বাংলাদেশি, চীনা ও বার্মিজ অভিবাসী শ্রমিক৷

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা