kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেট

'চোর' 'চোর' স্লোগান শুনে পালিয়ে গেলেন আম্পায়াররা! (ভিডিওসহ)

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ২০:৫৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'চোর' 'চোর' স্লোগান শুনে পালিয়ে গেলেন আম্পায়াররা! (ভিডিওসহ)

ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রায় সব স্তরের ম্যাচই যে ফিক্সিং হয়, সেটা কারও অজানা নয়। এ কারণেই এখন পর্যন্ত মানসম্মত অবস্থায় যেতে পারেনি ঘরোয়া ক্রিকেট। গত রবিবারের একটি ঘটনায় নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সোশ্যাল সাইটে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ক্রিকেটারদের তোপের মুখে মাঠ ছেড়ে পালান আম্পায়াররা! তাদের দেখিয়ে চিৎকার করে কেউ কেউ বলছেন 'চোর, চোর, চোর…।' আবার কেউ বলছেন, 'চুরি করে ক্রিকেট খেলা হয় না।' আরেকজন বলছেন, 'চুরি করতে আসিনি এখানে, ক্রিকেট খেলতে এসেছি!'

গতকাল রবিবার ঢাকা তৃতীয় বিভাগ লিগে কামরাঙ্গীর চর স্পোর্টিং ক্লাব বনাম ঢাকা রয়্যাল ক্রিকেটার্সের ম্যাচে এই ঘটনা ঘটেছে। ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে ম্যাচটির ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একজন বলছেন, 'চারটি আউট দিয়েছে চুরি করে…।' আরেকজনের কথা, 'এত কষ্ট করে এখানে এসেছি, সারাদিন খেলছি, এসবের জন্য!' সাবেক বিসিবি সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী তার অফিসিয়াল ফেইসবুক পাতায় ভিডিওটি শেয়ার দিয়ে লিখেছেন, 'এভাবেই ধ্বংস হচ্ছে আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেট।'

আরও পড়ুন : 'চোর' 'চোর' স্লোগান শুনে পালিয়ে গেলেন আম্পায়াররা! (ভিডিওসহ)

এই ম্যাচের দুই আম্পায়ার ছিলেন সাইদুর রহমান ও জহিরুল ইসলাম (জুয়েল)। যাদের মধ্যে সাইদুরের বিরুদ্ধে ঘরোয়া ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি পক্ষপাতমূলক আম্পায়ারিংয়ের অভিযোগ রয়েছে! তারপরেও এই আম্পায়ারকে কোনো সাজা দেয়নি বিসিবি। ঘরোয়া লিগের বেশ কয়েকটি দল অভিযোগ করেছে যে, বছরের পর বছর ধরে বিসিবি কর্মকর্তাদের ছত্রছায়ায় থাকা ক্লাবগুলোকে বিশেষ সুবিধা দিতে পক্ষপাতমূলক আম্পায়ারিং করা হচ্ছে। এসব দেখার কেউ নেই। যে কারণে গত কয়েক বছরে দেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে আলোচিত ইস্যুগুলোর একটি হয়ে উঠেছে এই নোংরা আম্পায়ারিং।

৫০ ওভারের ম্যাচে আগে ব্যাট করে ১৪৮ রানে অল-আউট হয়েছিল কামরাঙ্গীর চর। রান তাড়ায় রয়্যাল ক্রিকেটার্স ৪০ রানে ৫ উইকেট হারালেও ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে তারা জয়ের পথেই ছিল। এক পর্যায়ে রান ছিল ৫ উইকেটে ১১৯। সেখান থেকে ৯ রানের মধ্যে পড়ে যায় তাদের শেষ ৫ উইকেট। ফলে ২০ রানে ম্যাচ হেরে যায় তারা। রয়্যাল ক্রিকেটার্স ক্লাবটির অভিযোগ, কামরাঙ্গীর চরকে জেতাতে কমপক্ষে ৫টি ভুল সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আম্পায়াররা। ভিডিওর শেষ দিকে দেখা যায়, রয়্যাল ক্রিকেটার্সের কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ রুবেল সামনে এগিয়ে ম্যাচ রেফারিকে বলছেন, 'এই বাচ্চা বাচ্চা ছেলেগুলির জীবন নষ্ট করবেন না…।

দেখুন সেই আলোচিত ভিডিও :

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা