kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

বিশ্বমানের পেসার নেই, ক্রিকেটের মান নিম্মমুখী : টেন্ডুলকার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ১৪:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্বমানের পেসার নেই, ক্রিকেটের মান নিম্মমুখী : টেন্ডুলকার

উইন্ডিজের পেস চতুষ্টয় কিংবা ওয়াসিম-ওয়াকার-ম্যাকগ্রাথ-শোয়েব কিংবা ব্রেট লির মতো ভয়ংকর পেস আকরামণ এই যুগে আর দেখা যায় না। সত্তর বা আশির দশকে সুনীল গাভাস্কার বনাম অ্যান্ডি রবার্টস বা ডেনিস লিলি বা ইমরান খান দ্বৈরথ দেখার অপেক্ষায় মুখিয়ে থাকত ক্রিকেট জনতা। তেমনই শচীন বনাম ম্যাকগ্রা বা শচীন বনাম আকরাম-ইউনিস ছিল ক্রিকেটের সেরা আকর্ষণ। উন্নত মানের পেস বোলারের অভাবেই টেস্ট ক্রিকেটের আকর্ষণীয় সেই সব দ্বৈরথ হারিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করেন শচীন টেন্ডুলকার।

এখনকার টেস্ট ক্রিকেটে চিরাচরিত সেই দ্বৈরথের আকর্ষণটাই যেন ফিকে হতে শুরু করেছে। ২৪ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে চলা শচীন এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, 'দ্বৈরথ হারিয়ে যাচ্ছে কারণ বিশ্বমানের ফাস্ট বোলারের সংখ্যাই খুব কম। নিশ্চিত ভাবেই সেই দিকটা আমরা দেখতে পাচ্ছি না। ফাস্ট বোলিংয়ের মান নিঃসন্দেহে অনেক ভালো হতে পারে। ক্রিকেটের মান নিচের দিকেই যাচ্ছে। সেটা টেস্ট ক্রিকেটের জন্য ভালো খবর নয়। মানে উন্নত করতেই হবে এবং পিচ তৈরির উপরে নজর দিতে হবে।'

ভারতের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার পরে বাংলাদেশের বিপর্যস্ত অবস্থা দেখে আরও বেশি করে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে টেস্ট ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে। সব চেয়ে বেশি করে কথা উঠছে অনেক দলের গুণগত মান নিয়ে। এই মুহূর্তে ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড ছাড়া যে টেস্ট খেলা দেশের মধ্যে ভালো দল কেউ নেই বলে মনে করেন শচীন। তিনি বলেন, '‘যদি খেলোয়াড়সুলভ পিচ তৈরি করা যায়, যেখানে বোলাররাও সুবিধা পাবে, ফাস্ট বোলারদের মতোই যা সাহায্য করবে স্পিনারদের, তা হলেই ব্যাট ও বলের মধ্যে ভারসাম্য ফেরানো সম্ভব।'

ক্রিকেটের রূপকথায় ঢুকে রয়েছে শচীনের সঙ্গে শেন ওয়ার্নের দ্বৈরথ। শচীন জানান সেই দ্বৈরথ জেতার মূলে ছিল তার প্রস্তুতি, 'সিরিজটাকে দেখা হচ্ছিল শচীন বনাম ওয়ার্ন দ্বৈরথ হিসেবে। আমি জানতাম, ওয়ার্ন রাউন্ড দ্য উইকেট এসে আউট করার চেষ্টা করবে। আমার প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল মুম্বাই দলের সতীর্থ লেগস্পিনার সাইরাজ বাহুতুলে আর বাঁ-হাতি স্পিনার নীলেশ কুলকার্নিকে নিয়ে। আমি তুলনা করতে পছন্দ করি না। কিন্তু যদি কেউ জিজ্ঞেস করে, পার্‌থের ওই ফাস্ট পিচে সেঞ্চুরিটা আমার মধ্যে বিশ্বাস ঢুকিয়ে দিয়েছিল যে, আমি যে কোনও পিচে যে কোনও বোলিং আকরামণের বিরুদ্ধে সফল হতে পারি।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা