kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মোসাদ্দেককে ৬ ছক্কায় ওড়াতে চেয়েছিলেন রোহিত!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ নভেম্বর, ২০১৯ ১৫:২৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মোসাদ্দেককে ৬ ছক্কায় ওড়াতে চেয়েছিলেন রোহিত!

ছক্কা মারছেন রোহিত শর্মা। ছবি : এএফপি

রোহিত ঝড়ে গতকাল তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতা এনেছে ভারত। ম্যাচ শেষে ভারপ্রাপ্ত ভারত অধিনায়ক রোহিত বলেছেন, তিনি নাকি বাংলাদেশের তরুণ অল-রাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেনের ওভারে ৬টি ছক্কা হাঁকাতে চেয়েছিলেন। মোসাদ্দেকের ওভারের প্রথম ৩টি বল গ্যালারিতে ফেলেন 'হিটম্যান'। চতুর্থ বলেও মোসাদ্দেককে গ্যালারিতে ছুড়ে ফেলতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পারেননি। পাশাপাশি বলেছেন,  ছক্কা মারার জন্য পেশিবহুল শরীর জরুরি নয়।

বাংলাদেশকে উড়িয়ে দেওয়ার পরে চহাল টিভিতে রোহিত বলেন, 'পর পর ৩টি ছক্কা মারার পরে আমি ৬টি ছক্কা হাঁকানোর চেষ্টা করেছিলাম। চতুর্থ বলটা মিস করার পরে আমি সিঙ্গলস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। অফ স্পিনার বল করছিল। আমি জানতাম খুব বেশি বল ঘুরবে না। ফলে আমি ছক্কা মারার অপেক্ষায় ছিলাম।' চাহাল টিভিতে রোহিত বলেছেন, 'বিশাল ছক্কা মারার জন্য পেশিবহুল শরীরের দরকার হয় না। তুমিও (চাহাল) ছক্কা মারতে পারবে। ছক্কা মারার জন্য শুধুমাত্র শক্তির দরকার হয়, তা নয়। টাইমিংও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাটের মাঝখান দিয়ে বল মারা দরকার।'

বিশ্ব ক্রিকেটে এক ওভারে ৬টি ছক্কা হাঁকানোর নজির খুব বেশি নেই। তা বেশ কঠিনও বটে। ২০০৭ সালের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্টুয়ার্ট ব্রডের ওভারে ৬টি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন যুবরাজ সিং। হার্শেল গিবস ওয়ানডে ম্যাচে একই কাজ করেছিলেন। রোহিত রাজকোটে এক ওভারে ৬টি ছক্কা মারতে না পারলেও তার ইনিংস সাজানো ছিল ৬টি বিশাল ছক্কায়। বাংলাদেশের রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই রোহিত মারমুখী ছিলেন। মনে হচ্ছিল নিজের শততম টি টোয়েন্টি ম্যাচে 'হিটম্যান' এর সেঞ্চুরি পাওয়া কেবল সময়ের অপেক্ষা।

তবে সেঞ্চুরি না পেলেও ৪৩ বলে ৮৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে ম্যাচ জিতিয়ে তৃপ্ত রোহিত বলেন, 'সবসময় শুরুটা ভালো হওয়া দরকার। একজন ব্যাটসম্যান লম্বা ইনিংস খেলবে এটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গেছে, কোনো ব্যাটসম্যান যদি লম্বা ইনিংস খেললেই দল জিতে যায়। তবে খেলার ওই সময়ে আউট হয়ে যাওয়ায় আমি হতাশ। রাজকোটে আমরা চাপ নিয়ে খেলতে নেমেছিলাম। দলের পারফরম্যান্সে আমি খুশি।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা