kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মেসির গোলে জিতল বার্সেলোনা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০৪:০৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেসির গোলে জিতল বার্সেলোনা

মেসির পায়ে বার্সেলোনার দারুণ শুরুর পর স্লাভিয়া প্রাহার ঘুরে দাঁড়ানোটা ছিল আরও দুর্দান্ত। চেক রিপাবলিকের দলটির উজ্জীবিত ফুটবলে বেশ খানিকটা সময় উল্টো কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল কাতালান ক্লাবটি। শেষ পর্যন্ত পার্থক্য গড়ে দিল এক আত্মঘাতী গোল। স্বস্তির জয় নিয়ে ফিরল এরনেস্তো ভালভেরদের শিষ্যরা। স্লাভিয়ার মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচটি ২-১ গোলে জিতেছে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।

দারুণ নৈপুণ্যে তৃতীয় মিনিটেই দলকে এগিয়ে নেন মেসি। সতীর্থের পাস পেয়ে একজনকে ফাঁকি দিয়ে আর্থারকে বল বাড়িয়ে চোখের পলকে ঢুকে পড়েন ডি-বক্সে। ফিরতি বল পেয়ে প্রথম ছোঁয়ায় বাঁ পায়ের কোনাকুনি শটে ঠিকানা খুঁজে নেন বার্সেলোনা অধিনায়ক।

আসরে মেসির এটা প্রথম গোল। এই নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ১৫ আসরে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়লেন তিনি। সেই সঙ্গে প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসে সর্বাধিক ৩৩টি দলের বিপক্ষে গোল করার রেকর্ডের মালিক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও রাউল গনসালেসের পাশে বসলেন আর্জেন্টাইন তারকা।

উজ্জীবিত স্লাভিয়াকে দ্বিতীয়ার্ধে আর ঠেকিয়ে রাখতে পারেননি এই জার্মান গোলরক্ষক। গোছানো আক্রমণে ৫৫ মিনিটে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। ডি-বক্সে জেরার্দ পিকে ও জর্দি আলবার মধ্যে দিয়ে ডান পায়ের শটে গোলটি করেন চেক রিপাবলিকের ডিফেন্ডার ইয়ান বোরিল।

সমতায় ফেরার স্বস্তি অবশ্য স্থায়ী হয়নি দলটির। ৫৭ মিনিটে মেসির ফ্রি কিকে ডান দিকের বাইলাইনের একেবারে কাছ থেকে সুয়ারেসের আলতো করে নেওয়া শট ওলাইয়াঙ্কার বুকে লেগে জালে জড়ায়। কিছুই করার ছিল না গোলরক্ষকের।

সুয়ারেস ৭০ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মেসির রক্ষণচেরা পাস ডি-বক্সে পেয়ে অরক্ষিত উরুগুয়ের এই স্ট্রাইকারের কোনাকুনি শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পাঁচ মিনিট পর মেসির ব্যর্থতা ছিল অবিশ্বাস্য; আলবার ছোট ডি-বক্সে বাড়ানো বল আলতো টোকায় জালে পাঠাতে গিয়ে ঠিকমতো বলে পা-ই লাগাতে পারেননি এবারের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার।

শেষ দিকে বার্সেলোনার রক্ষণে একচেটিয়া চাপ ধরে রাখে স্লাভিয়া। বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি করে তারা। সেগুলো রুখে দিয়ে মূল্যবান ৩ পয়েন্ট নিয়ে ফেরে লা লিগা চ্যাম্পিয়নরা। দারুণ খেলেও হেরে যাওয়ার হতাশায় ভেঙে পড়ে স্বাগতিক দলের কোচ ও খেলোয়াড়রা। তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে বার্সেলোনা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা