kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মাত্র ১৪ বছর বয়সে বাবা হয়েছেন এই ব্রাজিল তারকা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১৭:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাত্র ১৪ বছর বয়সে বাবা হয়েছেন এই ব্রাজিল তারকা

বাল্য বিবাহ যে কেবল তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতেই প্রচলিত তা কিন্তু নয়। ইউরোপ, আমেরিকা কিংবা ল্যাটিন আমেরিকাতেও কম বয়সে যৌন সম্পর্ক স্থাপন এবং সন্তান জন্ম দেওয়া ঘটনা অহরহ ঘটে। এমনই ঘটনা ঘটেছিল ব্রাজিলের উঠতি তারকা ওয়েসলি মোরায়েসের জীবনে। অ্যাস্টন ভিলার এই গোলমেশিন মাত্র ১৪ বছর বয়সে বাবা হয়েছিলেন। যাকে এই মুহূর্তে ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি গারিঞ্চার সঙ্গে তুলনা করা হয়।

দলবদলের রেকর্ড গড়েই ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি উচ্চতার ওয়েসলিকে কিনেছে অ্যাস্টন ভিলা। বর্তমানে ২২ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার বলেছেন, কম বয়সে বাবা হওয়ার সংগ্রামই তার লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা। তার বাবা ছিলেন ফুটবলার। কিন্তু নাম ডাক না থাকায় পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। ওয়েসলির বয়স যখন ৯, তখন মস্তিষ্কে টিউমারে তার বাবা মারা যায়। পরিবারের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়ে। এর চার বছর পরেই পুত্র ইয়ান আসে পৃথিবীতে। পরের বছরই আরেকটি কন্যা সন্তানের বাবা হন ওয়েসলি। সমস্যা আরও ছিল, কারণ ওই দুই সন্তানের মা ছিলেন দুই নারী!

যাই হোক, পরিবারের খরচ যোগাতে ওই সময় কারখানায় কাজ করতেন ওয়েসলি। সেইসঙ্গে চালিয়ে গেছেন ফুটবল খেলা। কঠিন সংগ্রামের এই সময়ে ওয়েসলির পাশে সবসময় ছিলেন তার মা। ওয়েসলি বলেছেন, এরপর ১৯ বছর বয়সে তিনি ইউরোপে এসেছেন। ব্রুগের হয়ে তিন মৌসুম কাটিয়ে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে প্রিমিয়ার লিগে খেলছেন। এ পর্যন্ত ভিলার হয়ে চার গোল করে ফেলেছেন তিনি। যদিও তার দুই পায়ের অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। কিন্তু ওভাবে জন্ম নেওয়া এই ফুটবলারের কাছে এটা কোনো বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।

এক সাক্ষাতকারে ওয়েসলি বলেছেন, 'যখন ১৪ বছর বয়স তখন আমার প্রথম সন্তান জন্মায়। এটা খুব কঠিন ছিল তখন কারণ তখনই মাত্র পেশাদার ফুটবল খেলার চেষ্টা করেছি। দিনে কাজ করেছি এবং সন্ধ্যায় অনুশীলন করেছি। যখন খেলই তখন পরিবারের কথা ভেবে খেলি, আমার বাচ্চা আর মায়ের কথা ভাবি। যখনই অনুশীলন শেষ হয় আমি মাকে ফোন দিই কারণ সেই আমার সবকিছু। আমার এতদূর আসার পেছনে সব অবদান মায়ের। যখন বাবা মারা গেল, তখন খুব কঠিন সময় গেছে। মা একাই সবাইকে তখন দেখে রেখেছেন। তাই প্রতিদিন ঘরে ফিরে তাকেই ফোন দেই।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা