kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পাকিস্তানে প্রতিটি মুহূর্ত অসহ্য যন্ত্রণায় কেটেছে : গুনাথিলাকা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ১৫:৩৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পাকিস্তানে প্রতিটি মুহূর্ত অসহ্য যন্ত্রণায় কেটেছে : গুনাথিলাকা

ছবি : ইন্টারনেট

সদ্যই পাকিস্তানের মাটিতে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলে দেশে ফিরেছে শ্রীলঙ্কা দল। ১০ জন বড় মাপের তারকা ছাড়াই পাকিস্তানে এসে তারা ওয়ানডে সিরিজ হেরেছে। তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ধোলাই করেছে স্বাগতিক পাকিস্তানকে। নজিরবিহীন নিরাপত্তার মাঝে জঙ্গি আক্রান্ত দেশটিতে কোনোরকম বিপদ ছাড়াই সিরিজ শেষ হয়েছে। কিন্তু শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট দল কতটা স্বস্তিতে ছিল? তারা কি উপভোগ করেছে সফরটা?

অনেক বছর ধরেই দেশের মাটিতে ক্রিকেট ফেরানোর চেষ্টা করে আসছিল পাকিস্তান। সেই চেষ্টার ফসল হিসেবে এই সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়। তবে লাসিথ মালিঙ্গাসহ শীর্ষ ১০ শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার দল থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেন। খেলা উপলক্ষে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে পাকিস্তান। নিরাপত্তার এই বাড়াবাড়ি অসহ্য লাগছিল বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি শাম্মি সিলভা এবং ক্রিকেটার দানুশকা গুনাথিলাকা। 

পাকিস্তানে শ্রীলঙ্কার সফর উপলক্ষে নিরাপত্তার বাড়াবাড়ি চোখে পড়েছে। ছবি : এএফপি

২০০৯ সালে টিম বাসে জঙ্গি হামলার এক দশক পর সম্প্রতি পাকিস্তান সফরে যায় শ্রীলঙ্কা। এক  সাক্ষাৎকারে সিলভা বলেছেন, 'খেলোয়াড়দের হোটেলবন্দি অবস্থায় থাকতে হয়েছিল। তিন-চারদিন হোটেলে থেকে আমারই অসহ্য লাগছিল। টেস্ট সিরিজে এর কী প্রভাব পড়বে, সে বিষয়ে খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। দল পাঠানোয় শ্রীলঙ্কার কাছে কৃতজ্ঞ পাকিস্তান। কিন্তু টেস্ট দল পাঠানোর আগে আমাদের দেখতে হবে, খেলোয়াড়দের পক্ষে টানা পাঁচদিন হোটেলবন্দি হয়ে থাকা সম্ভব কি না।'

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আরও বলেছেন, 'পাকিস্তানে আধঘণ্টা রাস্তা বন্ধ থাকত। আমাদের সেই সময় যেতে দেওয়া হতো না। এই অবস্থায় থাকা মানসিকভাবে কষ্টকর। পাকিস্তানের স্বার্থে আমরা নিরাপত্তার বাড়াবাড়ি সহ্য করেছি। কিন্তু আমরা এটা কতদূর পর্যন্ত মেনে নিতে পারি? আমাদের ক্রিকেটারদের সঙ্গে স্ত্রীরা না যাওয়ায় দলগত সংহতি ছিল। তবে ওদেরও কিছু স্বাভাবিক চাহিদা থাকে; যেমন বাইরে খেতে যাওয়া, কেনাকাটা করা। ওরা ঘরে বসে থাকতে পারে না। বাইরে বেরিয়ে পৃথিবীটা দেখা দরকার। তাই ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলতে হবে।'

এদিকে দানুশকা গুনাথিলাকাও একই সুরে বলেছেন, 'তারা আমাদের নিরাপদে রেখেছিল। হোটেলটাও ভালো ছিল। কিন্তু আমি আর এমন অভিজ্ঞতা চাই না। এমন দমবন্ধ করা পরিবেশে আপনি যখন ক্রিকেট খেলতে নামবেন, তখন অন্যরকম একটা চাপ থাকবে। ওখানে প্রতিটি মুহূর্ত অসহ্য যন্ত্রণায় কেটেছে। হোটেলে গিয়ে আর বাইরে বের হওয়া যেত না। বন্দি জীবন ছিল। সত্যিই পাকিস্তানের মাটিতে খেলা মোটেও সহজ নয়।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা