kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কোহলিকে দেখেই আমিষ বর্জন করেছেন ভারতের গোলমেশিন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ অক্টোবর, ২০১৯ ১৫:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কোহলিকে দেখেই আমিষ বর্জন করেছেন ভারতের গোলমেশিন

মঙ্গলবার বভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিশ্বকাপ যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে জামাল ভুঁইয়ার বাংলাদেশ। ওই ম্যাচে খেলবেন ভারতের অধিনায়ক তথা গোলমেশিন সুনীল ছেত্রী। ফিটনেস এবং মাঠে আগের মতোই ক্ষিপ্রতা ধরে রাখতে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির পথই অনুসরণ করেছেন তিনি। আমিষ ত্যাগ করে তিনি এখন নিরামষভোজী। ৩৪ বছরের অধিনায়ক জানিয়েছেন, ফিটনেস ধরে রাখতেই তার খাদ্যাভ্যাসে আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছেন।

ভারতের হয়ে ৭২টি আন্তর্জাতিক গোলের মালিক বলেছেন, 'এখন আমি সম্পূর্ণ নিরামিষভোজী। অনেক দিন মাংস এবং এবং তৈলাক্ত খাবার বর্জন করেছি। এতে যেমন তরতাজা আছি, তেমনই আমার হজমশক্তিতেও কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। বয়স বাড়লেও মাঠে নেমে যাতে বাকিদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে খেলতে পারি, সেই কারণে এই পথেই আমাকে যেতে হয়েছে। তাছাড়া বয়স বাড়ার কারণে আমার পক্ষে এখন যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে শান্ত রাখার কাজও সহজ হয়ে গেছে।'

ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা জানিয়েছেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে তিনি এটা উপলব্ধি করেছেন, শারীরিক ধকল সামলানোর সঙ্গে দ্রুত চোটমুক্ত হওয়াও খুবই প্রয়োজনীয়। আর তার জন্য খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা একান্তই জরুরি। সুনীলের কথায়, 'বয়স বাড়ার সঙ্গে নিজের ভাবনাচিন্তা যেমন পরিণত হয়েছে, তেমনই বেশ কিছু এমন মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে যারা জীবনে পরিবর্তন আনতে অনেক ধরনের ইতিবাচক পরামর্শ দিয়েছেন। সে ভাবেই আমি নিজেকে পাল্টে ফেলেছি। নিজের নিয়মিত খাদ্যতালিকায় পরিবর্তনের কাজও সহজ হয়ে গেছে।'

তিনি বলেছেন, 'আমার যখন ২৫ বছর বয়স ছিল, তখন প্রত্যেক দিন ৬ টুকরো আলু খেতে বলা হয়েছিল। কোনোদিন তা বেড়ে আট, আবার কোনও সময়ে দশও হয়ে যেত। কেউই কিন্তু এই সংখ্যাবৃদ্ধির মধ্যে বগ পরিবর্তন লক্ষ্য করেননি। পরে যখন এক পুষ্টি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে বিষয়টা নিয়ে কথা বলি, তিনি বলেন সারা দিনে ৬ টুকরো আলু খেতে পারি। কিন্তু তার বেশি নয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে এই ব্যাপারগুলো নিয়ে নিজেকেও ভাবনাচিন্তা করতে হয়। সংযমী হওয়ার শিক্ষা নিতে হয়।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা