kalerkantho

রবিবার । ২০ অক্টোবর ২০১৯। ৪ কাতির্ক ১৪২৬। ২০ সফর ১৪৪১                

'পিকনিক লিগ' তকমা পাওয়া এনসিএলের আদ্যোপান্ত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ১৬:১৬ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



'পিকনিক লিগ' তকমা পাওয়া এনসিএলের আদ্যোপান্ত

নামকাওয়াস্তে খেলা হয় বলে একসময় জাতীয় ক্রিকেট লিগের নাম হয়ে গিয়েছিল 'পিকনিক লিগ'। এবার সেই তকমা থেকে বেরিয়ে এসে এনসিএল যেন আরো বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয় সে লক্ষ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আজ ১০ অক্টোবর থেকে দেশের ৪টি ভেন্যুতে শুরু হচ্ছে ঘরোয়া ক্রিকেটের এই শীর্ষ স্থানীয় টুর্নামেন্ট।

দুই স্তর বিশিষ্ট এবারের এই টুর্নামেন্টে আটটি দল অংশগ্রহণ করছে। টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের বাছাইয়ে এবার ফিটনেসের প্রতি বেশি জোর দিচ্ছে বিসিবি। যে কারণে বিপ পয়েন্ট ৯ এর পরিবর্তে ১১ পয়েন্ট বাধ্যতামুলক করা হয়েছে। যে পরীক্ষায় বেশ কিছু সিনিয়র ক্রিকেটার উত্তীর্ন হতে ব্যর্থ হয়েছে। সর্বনিম্ন পয়েন্ট লাভ না করা পর্যন্ত টুর্নামেন্টে খেলতে পারবেন না তারা। এই টুর্নামেন্টের জন্য ম্যাচ ফি এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধাও না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি।

এক নজরে এনসিএলের ২১তম আসর :

প্রথম স্তরের দল: খুলনা, ঢাকা, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ
দ্বিতীয় স্তরের দল: ঢাকা মেট্রো, চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল বিভাগ
দল প্রস্তুতি ফি: ৬ লাখ টাকা (প্রথম স্তর), ৬ লাখ টাকা (দ্বিতীয় স্তর)
দৈনিক ভাতা: ১৫ হাজার টাকা (১ম স্তর), ১৫ হাজার টাকা (২য় স্তর)
ম্যাচ ফি (প্রতি ম্যাচ): ৩৫ হাজার টাকা (১ম স্তর), ২৫ হাজার টাকা (২য় স্তর)
ভ্রমন ভাতা (আনুমানিক): ২৫ হাজার টাকা (১ম স্তর), ২৫ হাজার টাকা (২য় স্তর)
প্রাইজ মানি: চ্যাম্পিয়ন ২০ লাখ টাকা (১ম স্তর), ৫ লাখ টাকা (২য় স্তর)
প্রাইজমানি: রানার আপ ১০ লাখ টাকা (১ম স্তর), কোন প্রাইজমানি নেই (২য় স্তর)
ম্যাচ সেরা খেলোয়াড় : ২৫ হাজার টাকা (১ম স্তর), ২০ হাজার টাকা (২য় স্তর)
টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়: ১ লাখ টাকা (১ম স্তর), ৫০ হাজার টাকা (২য় স্তর)
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক: ৭৫ হাজার টাকা (১ম স্তর), ৫০ হাজার টাকা (২য় স্তর)
সর্বাধিক উইকেট সংগ্রাহক: ৭৫ হাজার টাকা (১ম স্তর), ৫০ হাজার টাকা (২য় স্তর)
ম্যাচ জয় ভাতা (প্রতি ম্যাচ): ৮০ হাজার টাকা (১ম স্তর), ৭৫ হাজার টাকা (২য় স্তর)

আটটি দল:
রাজশাহী বিভাগ: জুনায়েদ সিদ্দিকি, মিজানুর রহমান, জহুরুল ইসলাম, অভিষেক মিত্র, মুশফিকুর রহিম, সাব্বির রহমান, মোহাইমিনুল খান, ফরহাদ রেজা, তাইজুল ইসলাম, শফিউল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, সাকলাইন সজিব, শাকির হোসেন(উইকেটরক্ষক), মোহোর শেখ।
খুলনা বিভাগ: ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকার, মেহেদি হাসান, তুষার ইমরান(বিপ টেস্ট উত্তীর্ন হওয়া সাপেক্ষে), নাহিদুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, ামিত মজুমদার, জিয়াউর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, ইমরানুজ্জামান, মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, আল আমিন হোসেন, হাসানুজ্জামান।

ঢাকা বিভাগ: নাদিফ চৌধুরি, শুভাগত হোম, রকিবুল হাসান, রনি তালুকদার, আব্দুল মজিদ(বিপ টেস্ট উত্তীর্ন হওয়া সাপেক্ষে), তাইবুর রহমান, নাজমুল ইসলাম, সাইফ হাসান, শাহাদাত হোসেন, জয়রাজ শেখ, সালাউদ্দিন শাকিল, সুমন খান, শাকিল আহমেদ(উইকেটরক্ষক), হৃদয় কান, জুবায়ের হোসেন।

রংপুর বিভাগ: মেহেদি মারুফ, ফারদিন হাসান, মাহমুদুল হাসান, নাঈম ইসলাম, নাসির হোসেন, তারবীর হায়দার, সোহরাওয়ার্দী শুভ, আলাউদ্দিন বাবু, সাজেদুল ইসলাম, শুবাশিস রয়, সঞ্জিত সাহা, রবিউল হক, মাইশুকুর রহমান, হামিদুল ইসলাম।

ঢাকা মেট্রো: সাদমান ইসলাম, রাকিন আহমেদ, শাসুর রহমান, মাহমুদুল্লাহ, মার্শাল আইউব, আল-আমিন, জাবিদ হোসেন, সৈকত আলী, আরাফাত সানি, মোহাম্মদ শহিদুল, আবু হায়দার, মানিক খান, মোহাম্মদ ইলিয়াস, আমিনুল ইসলাম।

সিলেট বিভাগ: ইমতিয়াজ হোসেন, জাকির হাসান, জাকির আলী, অলোক কাপালি, শাহনুর রহমান, এনামুল হক জুনিয়র, রাহাতুল ফেরদৌস, আবু জায়েদ, ইমরান আলী, এবাদত হোসেন, তৌফিক খান, নাসুম আহমেদ, রুহেল মিয়া, মিজানুর রহমান, রিয়াজুর রহমান।

বরিশাল বিভাগ: কামরুল ইসলাম, মোসাদ্দেক হোসেন, শাহরিয়ার নাফিস, মোহাম্মদ আশরাফুল, সোহাগ গাজি(বিপ টেস্ট উত্তীর্ন হওয়া সাপেক্ষে), ফজলে মাহমুদ, মনির হোসেন, সালমান হোসেন, মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, তারভির ইসলাম, শামসুল ইসলাম, তৌহিদুল ইসলাম(বিপ টেস্ট উত্তীর্ণ হওয়া সাপেক্ষে), মইন খান, রাফসান মাহমুদ।

চট্টগ্রাম বিভাগ: তামিম ইকবাল, মোমিনুল হক(অধি:), সাদিকুর রহমান, পিনাক ঘোষ, ইয়াসির আলী, তাসামুল হক, মাহমুদুল ইসলাম(উইকেটরক্ষক), মাসুম খান, মেহেদি হাসান(অ-১৯), নোমান চৌধুরি, মিনহাজুল আবেদীন, সাখাওযাত হোসেন, ইরফান শুবুর, নাঈম হাসান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা