kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১১ সফর ১৪৪২

চতুর্থ ম্যাচে হারলেও এগিয়ে সিরিজজয়ী বাংলাদেশ যুবারা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১৪:৫৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চতুর্থ ম্যাচে হারলেও এগিয়ে সিরিজজয়ী বাংলাদেশ যুবারা

ব্যাটসম্যানদের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ২৯৫ রান সংগ্রহ গড়েছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। কিন্তু বোলিং ব্যর্থতায় কিউইদের কাছে চতুর্থ ম্যাচে ৪ উইকেটে হেরে গেল বাংলাদেশের যুবারা। তবে এই হারের পরও ৫ ম্যাচের সিরিজে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে রইল আগেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করা বাংলাদেশ। 

আজ বুধবার লিনক্লোনে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে বাংলাদেশ। ওপেনিং জুটিতেই ৭১ রান যোগ করেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন। ৪৪ বলে ৫১ রানের দারুণ ইনিংস খেলে তানজিদ বিদায় নেয়ার পর হালকা ধাক্কা খায় সফরকারিরা। কারণ নিয়মিত বিরতিতে বিদায় নেন মাহমুদুল হাসান জয় (১৩), শাহাদাত হোসেন (১২)। 

এরপর বিদায় নেন বিদায় নেন ইমনও। অবশ্য কিউই বোলার জেসে টাশকফের বলে আউট হওয়ার আগে তিনি ৮২ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলেন। 

এমতাবস্থায় দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেন তৌহিদ হৃদয় ও অধিনায়ক আকবর আলী। তাদের ১০৪ রানের জুটির পর আর কেউ দাঁড়াতে না পারায় ২৯৫ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। 

হৃদয়ের ব্যাট থেকে আসে ৭৭ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ৭৩ রান । আর ৬৬ রানের ইনিংস সাজাতে মাত্র ৪৪ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কা হাঁকান আকবর।  

বাংলাদেশের ছুড়ে দেওয়া ২৯৬ রানের বিশাল টার্গেটে খেলতে নেমে শুরু ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। কারণ ৯ রানের মাথায় ওপেনার ডেভান ভিশভাকাকে আউট করে ভিন্ন কিছুর ইঙ্গিত দেন শরিফুল ইসলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত 
তা হয়নি।

এরপরে ওলি হোয়াইট ও ফের্গাস লেলম্যানের ১২২ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। তবে আসাদুল্লাহ গালিবের বলে আকবর আলীর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হোয়াইট। আউট হওয়ার আগে ৬২ বলে ৪৫ রান করেন তিনি। গালিবের দ্বিতীয় শিকার হয়ে বিদায় নেন লেলম্যানও। তিনি করেন ৭১ রান। এরপরে বিদায় নেন উইলিয়াম ক্লার্কও। তার ব্যাট থেকে আসে ৩৪ রান।

নিয়মিত বিরতিতে তিন উইকেট পড়লেও হালকা ধাক্কা সামলে দলকে জয় এনে দেন জেসে টাশকফ ও আদিত্য অশোক। টাশকফ ৬৬ ও অশোক ২৪ রানে অপরাজিত থাকে।

বাংলাদেশির বোলারদের মধ্যে ৯ ওভার বল করে ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন গালিব। তবে এজন্য তিনি ৭৮ রান খরচ করেছেন। আর ১টি করে উইকেট পেয়েছেন শরিফুল ও অভিষেক দাস।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা