kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

যার সঙ্গে কুস্তিতে ছেলেরাও হার মানে...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৫:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যার সঙ্গে কুস্তিতে ছেলেরাও হার মানে...

আমাদের সমাজে প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি হলো- মেয়েরা ছেলেদের থেকে কম শক্তিশালী। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। এই মতবাদকে পুরোপুরি ভুল প্রমাণ করে দিয়েছেন ভারতের বিনেশ ফোগতে। ১০ বছর বয়সের ছোট্ট মেয়েটাকে তার আখড়ায় নিয়ে গিয়ে ছেলেদের সঙ্গে কুস্তি করতে নামিয়ে দিয়েছিলেন মহাবীর সিংহ ফোগত। হরিয়ানার বালালি নামের এক অখ্যাত গ্রামে ১৫ বছর আগে এভাবেই জন্ম হয় বিনেশ ফোগতের রূপকথার কাহিনির। বিনেশের ছোটবেলার এই অভ্যাসটা তার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিততে সাহায্য করেছে।

১০ বছর বয়সের সেই অভ্যাস এখন ২৫ বছরে এসেও যায়নি বিনেশের। তাই মাঝে মাঝেই নেমে পড়েন ছেলেদের সঙ্গে কুস্তি করতে। এই অভ্যাসই তাকে ভারতের অন্যতম সেরা মেয়ে কুস্তিগিরকে সাফল্যের রাস্তায় অনেকটা এগিয়ে নিয়ে গেছে। ৮ বছর বয়সে বাবাকে হারানোর পর জেঠু মহাবীরের কাছে মেয়ের মতোই মানুষ হয়েছেন বিনেশ। এই মহাবীর কে জানেন? বলিউডের বিখ্যাত সিনেমা 'দঙ্গল' এর গীতা-ববিতার বাবা তথা কোচ মহাবীর। বাস্তবের আমির খানের হাতেই লেখা হয়েছে তিন কন্যার কাহিনি- গীতা, ববিতা এবং বিনেশ। 

মহাবীর বলেন, '৬ মেয়েকে নিয়ে আমি কুস্তির আখড়া শুরু করেছিলাম। আমার চার মেয়ের সঙ্গে ছিল ভাইয়ের দুই মেয়ে, বিনেশ আর প্রিয়াঙ্কা। ওদের সবাইকেই ছেলেদের সঙ্গে লড়াই করাতাম।' কিন্তু এই সিদ্ধান্তের কারণে সমাজের সঙ্গেও কম লড়তে হয়নি তাকে। মহাবীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, গ্রামের সম্মানহানি করেছেন। মেয়েরা লড়ছে ছেলেদের সঙ্গে, এই দৃশ্য ভাবতে পারত না কেউ। কিন্তু সমাজ এবং রিংয়ের প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে লড়াই করেই এই জায়গায় পৌঁছেছেন বিনেশরা। আমির খানের দঙ্গল নিয়ে বিনেশ বলেছিলেন, 'সিনেমায় কিছুই দেখানো হয়নি। তাউজি (মহাবীর) যা ট্রেনিং করাত, তা আপনারা ভাবতেও পারবেন না।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা