kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

আমার দেশের সমর্থকেরাই আমাকে ঘৃণা করেন : মিচেল মার্শ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৬:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আমার দেশের সমর্থকেরাই আমাকে ঘৃণা করেন : মিচেল মার্শ

ইনজুরি কাটিয়ে দুর্দান্তভাবে অ্যাশেজে ফিরেছেন অজি অল-রাউন্ডার মিচেল মার্শ। ওভালে অ্যাশেজের পঞ্চম টেস্টে ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে তিনিই অস্ট্রেলিয়ার সফলতম বোলার। চলতি অ্যাশেজে এর আগে কোনও টেস্ট খেলেননি তিনি। গত বছরের বক্সিং ডে টেস্ট থেকেই তিনি দলের বাইরে। প্রত্যাবর্তন যতই মধুর হোক, মিচেল মার্শের মন ভালো নেই। কারণ, নিজের দেশেই যে ক্রিকেটপ্রেমীরা তাকে পছন্দ করেন না!

গতবছর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ান বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়া মার্শ বলেছেন, 'হ্যাঁ, অস্ট্রেলিয়ায় অধিকাংশ সমর্থকই আমাকে ঘৃণা করে। এর জন্য দায়ী আমার ফর্ম। অজিরা ক্রিকেটের ব্যাপারে খুব আবেগপ্রবণ। ক্রিকেটারদের থেকে সব সময়ই ভালো পারফরম্যান্স চায় তারা। আমি অবশ্য টেস্ট ফরম্যাটে এর আগে অনেক সুযোগ পেয়েছিলাম। কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারিনি। তবে যেভাবে ফিরে এসেছি, তার জন্য সম্মান পেতেই পারি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলতে ভালবাসি, ভালবাসি ব্যাগি গ্রিন ক্যাপ। আশা করছি, একদিন সমর্থকদের মন জিততেও পারব।'

২৭ বছর বয়সী অলরাউন্ডার বলছেন, চুক্তি হারানোর পর নিজের উপরই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলেন। আর কখনও জাতীয় দলে ফিরতে পারবেন কিনা, সেই সংশয় দেখা দিয়েছিল। ব্যক্তিগত কিছু সমস্যাও প্রভাব ফেলেছিল পারফরম্যান্সে। গত ছয় মাস ধরে অবশ্য জতীয় দলে ফেরার জন্য প্রচণ্ড পরিশ্রম করেছেন। বদলে ফেলেছেন লাইফস্টাইল, পাল্টে ফেলেছেন খাওয়ার অভ্যাস। মায়ের হাতের ‘রোস্ট’ পরিত্যাগ করে জোর দিয়েছেন ফিটনেসে। 

শন মার্শের ছোট ভাই বলেন, 'গত ছয় মাস সব কিছু উজাড় করে দিয়েছি। মা ভালবাসেন আমাকে খাওয়াতে। কিন্তু এই কয়েক মাসে সে ভাবে মায়ের হাতের রোস্টও খাইনি। এছাড়া ফর্মে ফেরার কোনো গোপন রেসিপি নেই। আমি শুধু আরও একটা সুযোগের আশায় পরিশ্রম করে গেছি।' আর সেই সুযোগ পেয়েই বল হাতে চমকে দিয়েছেন মিচেল মার্শ। বৃহস্পতিবার টেস্টের প্রথম দিনে নিয়েছিলেন চার উইকেট। শুক্রবার জ্যাক লিচকে ফিরিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেট শিকার করেন তিনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা