kalerkantho

আবেগের স্রোতে ভাসলেন নাদাল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২০:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আবেগের স্রোতে ভাসলেন নাদাল

ছবি : এএফপি

এমন জয় তার ক্যারিয়ারে এর আগেও এসেছে, কিন্তু রবিবারের দিনটি অন্যরকম ছিল রাফায়েল নাদালের জন্য। এতটা আবেগের স্রোতে তাকে কখনও ভাসিয়ে যেতে পারেননি দর্শকেরা। পুরস্কার বিতরণীর আগমুহূর্তে তার বর্ণময় ক্যারিয়ারের হাইলাইটস দেখানো শুরু হলো। যা দেখতে দেখতে আরও যেন গলা বুজে এল নাদালের। উনিশটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের প্রত্যেকটি মুহূর্ত তখন ভেসে উঠছে পর্দায়। আর চোখের জল সামলাতে পারলেন না রাফা। 

আধুনিক টেনিসের সব চেয়ে লড়াকু তারকা মাইক্রোফোন হাতে বলেন, 'জীবনে কিছু কিছু সময় আসে যখন আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয় না। এ দিনটাও সে রকমই ছিল। সকলে যেভাবে আমাকে সমর্থন করেছেন, আমার কাছে চিরস্মরণীয় একটা দিন হয়ে থাকল।' তার পাশে দাঁড়ানো দানিয়েল মেদভেদেভ। মহাতারকাকে নিয়ে ভিডিও দেখানোর পরে রসিকতা করে যিনি বলে ফেললেন, 'আচ্ছা, আমি জিতলে সংগঠকেরা কী দেখাতেন?'

কে বলবে, এটাই তার প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনাল ছিল। দুই সেটে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত ভাবে রণনীতি পাল্টে নাদালের মুখের গ্রাসই প্রায় ছিনিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে দুই সেটে পিছিয়ে পড়েও খেতাব জিতেছিলেন কিংবদন্তি পাঞ্চো গনজালভেস। ৭০ বছর পর সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চলেছিলেন রুশ তরুণ। শেষ পর্যন্ত নাদাল জিতলেন ৭-৫, ৬-৩, ৫-৭, ৪-৬, ৬-৪ সেটে। 

বিজয়ী নাদালও প্রতিপক্ষের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন, 'মেদভেদেভ এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। দুর্ধর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী। এই ট্রফি আমার কাছে অনেক কিছু। মেদভেদেভ অসাধারণ লড়াই করেছে। আমি খুশি যে, ম্যাচের শেষ তিন ঘণ্টা নিজের খেলা ধরে রাখতে পেরেছি।'

এই নিয়ে ৮৩তম এটিপি ট্রফি জিতলে রাফায়েল নাদাল। সামনে কিংবদন্তি রজার ফেদেরারকে টপকে যাওয়ার হাতছানি। কিন্তু নাদাল বলেছেন, তিনি সে সব রেকর্ড নিয়ে ভাবছেন না। তার ভাষায়, 'আমি সেভাবে দেখিই না। আগেও বলেছি, নিশ্চয়ই চাইব সবচেয়ে বেশি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিততে। কিন্তু সেটাই সারাক্ষণ আমার মাথার মধ্যে ঘুরছে এমন নয়। এর বাইরেও অনেক কিছু আছে। আমি ওদের দুজনের সঙ্গে (ফেদেরার এবং জকোভিচ) খেলতে পেরেই যেমন খুব গর্বিত।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা