kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

অস্ট্রেলিয়ার ১৮ বছরের অপেক্ষার অবসান; স্মিথের শাপমুক্তি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৩:০৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অস্ট্রেলিয়ার ১৮ বছরের অপেক্ষার অবসান; স্মিথের শাপমুক্তি

ছবি : ক্রিকইনফো

১৮ বছর পর ইংল্যান্ডের মাটি থেকে অ্যাশেজ শিরোপা নিয়ে বাড়ি ফিরতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ানরা। ২০০১ সালের পর এবারই প্রথম নিজেদের মাটিতে অ্যাশেজ জিততে পারল না ইংল্যান্ড। ম্যাঞ্চেস্টার টেস্টে ইংল্যান্ডকে ১৮৫ রানে উড়িয়ে দিয়ে সিরিজে ২-১ এগিয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া। ওভালে শেষ টেস্ট জিতলেও ইংল্যান্ডের কপালে শিরোপা জুটবে না। আগেরবার সিরিজ জেতার কারণে অ্যাশেজ থেকে যাবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার কাছেই। দলকে অ্যাশেজ উপহার দিয়েই যেন শাপমুক্ত হলেন পুরো সিরিজে অবিশ্বাস্য ব্যাটিং করা স্টিভেন স্মিথ।

৩৮৩ রান তাড়া করতে গিয়ে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয় ১৯৭ রানে। জশ হেজলউডের বলটা ১০৫ বল খেলে ২১ রান করা ক্রেগ ওভার্টনের পায়ে লাগতেই আস্তে আস্তে উঠে যায় আম্পায়ারের আঙুল। কিন্তু তখনও আবেগের বিস্ফোরণ ঘটেনি। কারণ, স্বাভাবিক ভাবেই ইংল্যান্ডের আট নম্বর ব্যাটসম্যান তখন ডিআরএসের সাহায্য নিয়েছিলেন। কিন্তু টিভি রিপ্লেতে তিনটে লাল আলো জ্বলে উঠতেই পরিষ্কার হয়ে যায়, আরও একবার অ্যাশেজ যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ারই দখলে।ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে প্রথম ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরি এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৮২ রান করার জন্য স্মিথই ম্যাচের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন।

এই স্মিথই এক বছর আগে বল টেম্পারিং করে ধরা পড়ার পর সাংবাদিকদের সামনে এসে কেঁদে ফেলেছিলেন। তখন কেউ কি ভেবেছিলেন, এক বছর নিষেধাজ্ঞা শেষে এভাবে স্বপ্নের প্রত্যাবর্তন ঘটাবেন স্মিথ? ইংল্যান্ডের মাঠে যতবার ব্যাট হাতে নেমেছেন, তত বারই শুনতে হয়েছে 'প্রতারক, প্রতারক' বিদ্রুপ। বাইশ গজে জোফরা আর্চারের বাউন্সার তাকে শারীরিক ভাবে আহত করেছে। মাঠের বাইরের বিষাক্ত বিদ্রুপও নিঃসন্দেহে মানসিক ভাবে রক্তাক্ত করে দিয়েছে। কিন্তু স্মিথ দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করে গেছেন। লাখ লাখ বল অনুশীলন করেছেন অ্যাশেজে ভালো করার জন্য।

তিন ম্যাচের ৫ ইনিংসে তিন সেঞ্চুরি, এক ডাবল সেঞ্চুরি, তিন হাফ সেঞ্চুরি করা স্মিথের আবেগের বিস্ফোরণটা দেখা গেছে ইংল্যান্ডের শেষ উইকেট পড়ার সময়। দুই হাত শূন্যে তুলে হুঙ্কার দেন তিনি। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসে তিনি বলেন, 'গত সপ্তাহে মাঠের বাইরে বসে দলের হার দেখতে ভালো লাগেনি। কিন্তু আজ যে অনুভূতি হচ্ছে, তা ভাষায় বোঝাতে পারব না। এই ছেলেদের সঙ্গে থাকতে পেরে রীতিমতো গর্ব হচ্ছে।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা