kalerkantho

'রোনালদোর সঙ্গে বিছানায় সেক্সি লিঞ্জেরি বেছে নিই আমি'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ আগস্ট, ২০১৯ ১৪:৩৪ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



'রোনালদোর সঙ্গে বিছানায় সেক্সি লিঞ্জেরি বেছে নিই আমি'

সবমিলিয়ে বেশ কঠিন একটা বছর পার করেছেন ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আর তার বান্ধবী জর্জিনা রদ্রিগুয়েজ। এই ড্যাশিং ফুটবল হিরোর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠে। স্বাভাবিকভাবেই তা বান্ধবীর ঘুম নষ্ট করে দেয়ার জন্যে যথেষ্ট। তবে আগের ভালোবাসা নিয়েই ঠিকই টিকে আছেন তারা, বলা যায় বহাল তবিয়তেই। নইলে কি আর সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে এমন প্রেমময় ছবি পোস্ট করেন আর সংবাদমাধ্যমে প্রেমিককে নিয়ে এমন প্রেমময় কথা বলেন জর্জিনা! 

দ্য সানের কাছে প্রেমিক রোনালদোকে নিয়ে মনের অনেক কথাই তুলে ধরেছেন জর্জিনা। সাবেক রিয়েল মাদ্রিদ এবং বর্তমানের জুভেন্টাস তারকার প্রতি তার মনের গহীনের ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। স্পেনের এই মডেল বলেন, খুব বিখ্যাত কারো পার্টনার হয়ে থাকাটা সোজা কথা নয়। আমি তার প্রতি যা অনুভব করি তা পৃথিবীর যেকোনো কিছুর চাইতে শক্তিশালী। দুজন মিলে আমরা আরো বেশি শক্তিশালী এবং সেখানে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে। তবে এখানে আবেশে ধরে রাখা এবং স্বপ্ন দেখাও অনেক জরুরি। আমি তার সাথে সবসময় লিঞ্জেরি পরে ঘুমাই। আর বেশ সেক্সি লিঞ্জেরি বেছে নিই আমি। 

সম্প্রতি একটি লিঞ্জেরি কম্পানির মডেল হয়ে শিরোনামে এসেছেন জর্জিনা। বলেন, এগুলো খুবই আরামদায়ক, সেক্সি এবং রোমান্টিক। এগুলো আপনার প্রেমিককেও সুখী রাখবে। 

রোনালদো এবং জর্জিনার দেখা হয় স্পেনে, ২০১৬ সালে। তখন রোনালদো রিয়েল মাদ্রিদের হয়ে গোলের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। তখন তিনি এই তারকা ক্লাবের 'দ্য গ্রেটেস্ট অব দ্য গ্যালাক্টিকোস' তকমা পেয়ে গেছেন। 

জর্জিনা স্মৃতিচারণ করেন সেই দিনের। বলেন, আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল গুচিতে। সেই ফ্যাশন ব্র্যান্ডের আমি সেলস অ্যাসিস্টেন্ট হিসেবে কাজ করতাম। কিছু দিন বাদে আমাদের আবারো দেখা হয় আরেকটি ব্র্যান্ডের আয়োজনে। সেখানে আমরা একান্তে আলাপের সুযোগ পেয়েছিলাম। এটা দুজনের জন্যেই প্রথম দর্শনে প্রেম ছিল। 

জর্জিনা রোনালদোর কন্যা আলানার জন্মদাত্রী। মাস পাঁচেক বাদেই পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড রোনালদো এবং জর্জিনার ঘরে আরো দুই জমজ সন্তান আসে। অন্য মায়ের গর্ভে তাদের জন্ম হয়। এই ফুটবলারের আরেকটি ছেলেও আছে। তার নাম ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়র। আমেরিকার নাম না জানা এক নারী তার মা। 

গত বছর রোনালদো ক্লাব পরিবর্তনের পর এই দম্পতি ইতালির তুরিনে ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের ৮ কক্ষের এক ম্যানশনে বসবাস শুরু করেছেন। 

রোনালদোর স্বাভাবিকভাবেই অনেক অর্থবিত্ত রয়েছে। এ নিয়েও কথা বলেন জর্জিনা। জানান, আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো। অনেক কিছু করতে এটা সহায়ক। কিন্তু এটা আপনাকে অনেক সমস্যাতেও ফেলে দেয়। আপনার নিজের ওপর অনেক নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে। আচরণটাও ভালো দরকার। অনেক সময়ই অর্থবিত্ত সামলানো সোজা কথা নয়। এটা আপনাকে সুখ এনে দেয় না। তবে জীবনের অনেক কিছু করতে সহায়তা করে। 

সারাদিনের কাজের ফিরিস্তিও দেন তিনি। বাচ্চাদের জন্যে সকালে উঠে তার পরিপাটি করে নাস্তা করা প্রতিদিনের কাজ। তিনি বাচ্চাদের সাথে খেলেন, দুপুরের খাবার তৈরি করেন। সময় ঠিক করে নিয়মিত জিমেও যান। ঘুমানোর আগে রোনালদোর সাথে বসে কিছু সময় টিভিও দেখেন। 

যদিও মডেলিং করছেন, তবুও ক্যাম্পেইনের সময় অনেক ছবি বাড়িতে তুলেই পাঠানোর চেষ্টা করেন। মূলত বাইরের চেয়ে ঘরে থাকতেই বেশি চেষ্টা করেন জর্জিনা। অন্য মায়েদের চেয়ে বেশি সময় ঘরে দেন তিনি। অনেক কাজই আছে যা ঘরে থাকার কাজটাকে বেশ সহজ করে। 

গত বছর রোনালদোর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন সাবেক মডেল ক্যাথরিন মায়োরগা। ২০০৯ সালে লাস ভেগাসের একটি হোটেলে তাকে যৌন হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগে বলেন তিনি। তবে এই গ্রীষ্মেই নেভাদার একটি আদালতে মামলা খালাস হয়ে গেছে। এই বাজে সময়টাতে রোনালদোর পাশে ছিলেন জর্জিনা। রীতিমতো আগলে রেখেছিলেন। কোনভাবেই যেন প্রেমিকের সুনাম ক্ষুন্ন না হয় এবং ইএ কিংবা নাইকির মতো বিখ্যাত সব ব্র্যান্ডের স্পন্সরশিপ পাওয়ার সম্ভাবনা যেন নষ্ট না হয়ে, তার জন্যে বেশ তৎপর ছিলেন জর্জিনা। 

সূত্র: স্পুটনিক

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা