kalerkantho

'বাবা তুমি এখানে থাকতে!' রোনালদোকে জুনিয়র

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ আগস্ট, ২০১৯ ২০:০৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'বাবা তুমি এখানে থাকতে!' রোনালদোকে জুনিয়র

বিশ্বফুটবলের সেরা দুই মহাতারকার একজন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। নাম, যশের পাশাপাশি অর্থের কোনো অভাব নেই তার। ছেলে ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়রসহ বাকী সন্তানদের জন্ম হয়েছে সোনার চামচ মুখে নিয়ে। অভাব কী জিনিস সেটা তারা জানেই না। এবার সিআরসেভেন নিজেই উদ্যোগী হয়েছিলেন ছেলেকে নিজের অতীতের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে। বিলাসী জীবনে অভ্যস্ত ছেলে স্বাভাবিকভাবেই ভীষণ অবাক হয়েছে বাবার অতীত সংগ্রাআম দেখে। 

পর্তুগিজ টিভি চ্যানেল টিভিআইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ছেলেকে জীবনের এ শিক্ষাটি দেয়ার কথা নিজেই জানিয়েছেন রোনালদো। তিনি বলেন, 'আমি যেখানে বড় হয়েছি, সে জায়গাটি ওকে (ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়র) দেখানোর জন্য খুবই আগ্রহী ছিলাম। ও মাদেইরা সম্পর্কে আগেই শুনেছিল। সে আমার সঙ্গে সেখানে গেছে। আরও অনেক মানুষ আমাকে দেখতে সেখানে জড়ো হয়েছিল। এটা আমাকে নাড়া দেয়। কারণ আমি ভাবিনি তাদের সেখানে দেখতে পাব। আমি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি।'

এরপর ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়রকে নিয়ে নিজের থাকার স্থানে যান রোনালদো, 'পাইজাওকে সঙ্গে নিয়ে আমি সেই ঘরে ঢুকলাম, যেখানে আমরা একসঙ্গে থাকতাম। এ ঘর দেখে জুনিয়র ঘুরে জিজ্ঞেস করলো, বাবা, তুমি এখানে থাকতে? তার যেনো এটা বিশ্বাসই হচ্ছিল না। ওর কোনো দোষ নেই। ওরা মনে করে পৃথিবীর সবই হয়তো সহজ। জীবনযাত্রার মান, ঘরবাড়ি, জামাকাপড়, গাড়ি- এগুলো হয়তো তাদের কাছে এমনিই চলে এসেছে।'

তিনি আরও বলেন, 'আমি আমার ছেলেকে এটিই বোঝানোর চেষ্টা করেছি যে, পৃথিবীর কোনো কিছুই এত সহজ নয়। এমনকি আমি স্কুলের কোনো অনুষ্ঠানে গেলেও বাচ্চাদের এ জিনিসটাই বলি। আমি বোঝানোর চেষ্টা করি, শুধু প্রতিভা থাকলেই হবে না; আত্মনিবেদন এবং কঠোর পরিশ্রম থাকলেই কেবল সবকিছু পাওয়া সম্ভব। সেইসঙ্গে নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করে লড়াইটা চালিয়ে যেতে হবে। আমি ছেলেকে এটাই দেখাতে চেয়েছি।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা