• ই-পেপার

পাহাড়ি লেকে রোহিত-পোলার্ডদের জলকেলি

আন্তঃকলেজ জাতীয় ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ময়মনসিংহ

ক্রীড়া ডেস্ক
আন্তঃকলেজ জাতীয় ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ময়মনসিংহ
চ্যাম্পিয়ন ট্রফির সঙ্গে ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়ের খেলোয়াড়রা। সৌজন্য ছবি

এবার ক্রীড়াঙ্গনেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ করলো ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়। জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়া আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের জাতীয় আসরের ফাইনাল বাগেরহাট জেলার সাকিনা আযহার টেকনিক্যাল কলেজকে ২-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়।

খেলার শুরু থেকেই সাকিনা আযহার টেকনিক্যাল কলেজের গোলমুখে আক্রমণের পসরা সাজায় ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়। ফলও পায় তারা। কেননা ফাইনালের ২-০ ব্যবধানের জয় তারই সাক্ষ্য দেয়।

ফাইনাল ম্যাচ শেষে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আমেনা বেগম। বিজয়ী ও বিজিত দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্রীড়া পরিদপ্তরের পরিচালক মোঃ মাহবুবুর রহমান।

এবারের টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দলের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সেও একক আধিপত্য দেখিয়েছে ময়মনসিংহ মহাবিদ্যালয়ের ফুটবলাররা। টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন চ্যাম্পিয়নদের ওমিদুল ইসলাম। ফাইনালে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হয়েছেন একই দলের সাগর সরকার। টুর্নামেন্ট জুড়ে অনবদ্য খেলে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জিতেছেন মো: শফিক। অন্যদিকে রানার আপ দল সাকিনা আযহার টেকনিক্যাল কলেজের সৌমেন দে জিতেছেন ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্টের পুরস্কার।

বিশ্বকাপের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কাড়তে চান জ্যোতিরা

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কাড়তে চান জ্যোতিরা
বিশ্বকাপ খেলতে দেশ ছাড়ার আগে মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে জ্যোতি। ছবি : মীর ফরিদ

নাজমুল হোসেন শান্ত-লিটন দাসদের নিয়ে যতটা আলোচনা হয় তার অর্ধেকও হয় না নিগার সুলতানা জ্যোতি-মারুফা আক্তারদের নিয়ে। যেন অনেকটা পুরুষ দলের ছায়া হয়ে থাকেন তারা। এবার সেই ছায়া থেকে বেরিয়ে আসতে চান জ্যোতিরা। 

বিশ্বকাপের দারুণ পারফরম্যান্স দিয়ে নজরে আসতে চান বাংলাদেশের মেয়েরা। ইংল্যান্ডে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে দেশ ছাড়ার আগে এমন ইচ্ছা পোষণ করেছেন জ্যোতি। আজ মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অধিনায়ক বলেছেন, ‘দেখুন আমার দলের এক্সপোজার অনেক কম থাকে। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে সবার নজর থাকে, এসব জায়গায় যখন আমরা ভালো পারফর্ম করি, তখন দলকে নিয়ে অনেক বেশি আলোচনা হয়, আমরা এটাই চাই।’

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কঠিন গ্রুপে পড়েছে। তাদের গ্রুপ সঙ্গী হচ্ছে—অস্ট্রেলিয়া, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস। তবে প্রতিপক্ষ হারানোর স্বপ্ন দেখছেন জ্যোতিরা। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুটি ম্যাচে জেতার অনেক বড় সুযোগ থাকবে। প্রথমত, নেদারল্যান্ডস ও পাকিস্তানের বিপক্ষে। দ্বিতীয়ত, ভারতের সঙ্গে আমাদের খেলার অভিজ্ঞতা আছে। ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে আমাদের ম্যাচ জেতার অভিজ্ঞতা আছে। আমরা প্রতিটি ম্যাচ ধরে এগোতে চাই। শুরুটা যদি ভালো পাই, ছন্দ পেলে সেটা বাকি টুর্নামেন্টে সাহায্য করবে।’

 

বিশ্বমঞ্চে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ক্রিকেটাররা লাভবান হবেন বলে বিশ্বাস জ্যোতির। উইকেটরক্ষক ব্যাটার বলেছেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে খেলোয়াড়েরা যখন ভালো করে, তাদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ আসে। আমাদের জন্য বড় একটা সুযোগ। তারা (ক্রিকেটাররা) খুব ইতিবাচক মানসিকতায় আছে। বিশ্বকাপে ভালো খেলতে পারলে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটের জন্য ভালো হবে। ব্যক্তিগতভাবে খেলোয়াড়রাও লাভবান হবে।’

আগামী ১২ জুন ইংল্যান্ডে বসবে এবারের টি-টোয়েন্টি আসর। বাংলাদেশের অভিযান শুরু হবে ১৪ জুন, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বার্মিংহামে। বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগে অবশ্য নেদারল্যান্ডস-স্কটল্যান্ডের সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবেন জ্যোতিরা। ত্রিদেশীয় সিরিজের সঙ্গে বিশ্বকাপ সামনে রেখে আজ ও আগামী পরশু দুই ধাপে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশের মেয়েরা।

এমবাপ্পেকে চেলসিতে চান আলোনসো

ক্রীড়া ডেস্ক
এমবাপ্পেকে চেলসিতে চান আলোনসো

ইউরোপিয়ান ফুটবলে বড় ধরনের আলোড়ন তুলতে পারে এমন এক ট্রান্সফারের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। ইংলিশ জায়ান্ট চেলসি এবার নাকি নজর দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের দিকে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম টকস্পোর্টের বরাত দিয়ে ম্যাচডে সেন্ট্রাল জানিয়েছে, স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে নতুন যুগ শুরু করতে বড়সড় পরিকল্পনা করছেন সদ্য নিয়োগ পাওয়া কোচ জাবি আলোনসো। আর সেই পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতেই রয়েছেন এমবাপ্পে।

সম্প্রতি চার বছরের চুক্তিতে চেলসির দায়িত্ব নিয়েছেন আলোনসো। রিয়াল মাদ্রিদে কাজ করার সময় থেকেই এমবাপ্পের সামর্থ্য সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা রয়েছে তার। তাই ব্যক্তিগতভাবেও এই ফরাসি সুপারস্টারকে দলে টানতে আগ্রহী স্প্যানিশ কোচ।

চলতি মৌসুমে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন এমবাপ্পে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৪ ম্যাচে করেছেন ৪২ গোল, সঙ্গে আছে ৭টি অ্যাসিস্ট। তার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ২০০ মিলিয়ন ইউরো বলে জানিয়েছে ট্রান্সফারমার্কেট।

তবে এই ট্রান্সফার বাস্তবায়ন করা সহজ হবে না। রিয়াল মাদ্রিদ এমবাপ্পেকে ভবিষ্যৎ প্রকল্পের কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবেই দেখছে। ফলে তাকে দলে টানতে হলে চেলসিকে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হতে পারে।

তবু ইউরোপীয় ফুটবলে নতুন শক্তি হয়ে উঠতে মরিয়া চেলসি। আর এমবাপ্পের মতো তারকাকে দলে আনতে পারলে সেটি হবে ক্লাবটির ইতিহাসের অন্যতম বড় ট্রান্সফার।

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ছয়, ব্রাজিলের শূন্য

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ছয়, ব্রাজিলের শূন্য

বিশ্বকাপ মানেই ফুটবলারদের মহারণ। তবে মাঠের লড়াইয়ের আড়ালে ডাগআউটের যুদ্ধও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। আধুনিক ফুটবলে একজন কোচের কৌশল, পরিকল্পনা ও নেতৃত্ব অনেক সময় পুরো দলের ভাগ্য বদলে দেয়। আর সেই কারণেই নিজেদের দেশের বাইরের কোচদের ওপর ক্রমশ আস্থা বাড়ছে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া দেশগুলোর।

আসন্ন বিশ্বকাপে ভিনদেশি মস্তিষ্কের ওপর নির্ভর করছে ২৬টি দল।

এই তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে আর্জেন্টিনা। এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ছয়জন কোচ আর্জেন্টাইন। শুধু নিজেদের জাতীয় দল নয়, দক্ষিণ ও উত্তর আমেরিকার আরো কয়েকটি দেশও আর্জেন্টাইন কোচদের কৌশলের ওপর নির্ভর করছে। অন্যদিকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল দেশ ব্রাজিল থেকে এবার একজন কোচও বিশ্বকাপে নেই। বরং পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরাই এবার বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছেন ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে।

পরিসংখ্যান বলছে, আর্জেন্টাইন কোচদের জনপ্রিয়তা এখন বিশ্বজুড়ে। নিজ দেশের কোচ লিওনেল স্কালোনি ছাড়াও অন্য দেশের দায়িত্বে আছেন আরো পাঁচ আর্জেন্টাইন।

তাদের মধ্যে রয়েছেন মরিসিও পচেত্তিনো (যুক্তরাষ্ট্র), মার্সেলো বিয়েলসা (উরুগুয়ে), গুস্তাভো আলফারো (প্যারাগুয়ে), সেবাস্তিয়ান বেকাসেসে (ইকুয়েডর) এবং নেস্তর লরেঞ্জো (কলম্বিয়া)।

এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটি থেকে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছেন পাঁচজন কোচ। তাদের মধ্যে আছেন দিদিয়ের দেশম, রুডি গার্সিয়া (বেলজিয়াম), সাব্রি লামুশি (তিউনিসিয়া), সেবাস্তিয়ান দেসাব্রে (ডিআর কঙ্গো) ও সেবাস্তিয়ান মিনিও (হাইতি)।

তৃতীয় সর্বোচ্চ চারজন কোচ রয়েছেন স্পেনের। এদের মধ্যে আছেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে, রবার্তো মার্তিনেজ (পর্তুগাল), হুলেন লোপেতেগি (কাতার) এবং থমাস ক্রিস্টিয়ানসেন (পানামা)।

অন্যদিকে তিনজন করে কোচ আছেন ইতালি ও জার্মানির। ইতালি বিশ্বকাপে খেলতে না পারলেও তাদের কোচদের কদর কমেনি। কার্লো আনচেলত্তি এবার ব্রাজিলের দায়িত্বে, ফ্যাবিও ক্যানাভারো আছেন উজবেকিস্তানের ডাগআউটে এবং ভিনসেনজো মন্তেলা দায়িত্ব পালন করছেন তুরস্কের।

এদিকে ২২টি দেশ নিজেদের দেশের কোচের ওপরই আস্থা রেখেছে। সেই তালিকায় রয়েছে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন, জাপান, নেদারল্যান্ডস, মেক্সিকোসহ আরো অনেক দেশ।

পাহাড়ি লেকে রোহিত-পোলার্ডদের জলকেলি | কালের কণ্ঠ