kalerkantho

শনিবার । ২৪ আগস্ট ২০১৯। ৯ ভাদ্র ১৪২৬। ২২ জিলহজ ১৪৪০

ভারতের দাবিতে ব্যয়বহুল 'নো বল প্রযুক্তি' ফেরাচ্ছে আইসিসি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ জুলাই, ২০১৯ ১৭:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতের দাবিতে ব্যয়বহুল 'নো বল প্রযুক্তি' ফেরাচ্ছে আইসিসি

প্রতীকী ছবি

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বলুন আর ঘরোয়া ক্রিকেট, নো বল নিয়ে নাটক কিন্তু কম হয়নি। ভবিষ্যতেও যে অনেক বিতর্ক হবে তাও বলে দেওয়া যায়। ২০১৭ সালে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান সিরিজের পর অতিরিক্ত খরচের জন্য বাতিল করা হয়েছিল নো বল প্রযুক্তি। এবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অনুরোধে সাড়া দিয়ে লন্ডনে আইসিসির বার্ষিক সম্মেলনে নো বল প্রযুক্তি পরীক্ষামূলকভাবে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি।

জানা গেছে, আপাতত ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে পরীক্ষমুলকভাবে ব্যবহার করা হবে এই প্রযুক্তি। সফল হলে ফেরানো হতে পারে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও। ভারতের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক ব্যবহার সফল হলে চলতি বছরের শেষ দিকে ঘরের মাঠে ভারতের আন্তর্জাতিক ম্যাচে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতে পারে। লন্ডনের বৈঠকে উপস্থিত থাকা আইসিসির এক অফিশিয়াল সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, 'আইসিসি এ প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক ব্যবহার করবে এবং কিছু পরীক্ষা ভারতে হবে।'

আইসিসি এই প্রযুক্তি বন্ধ করেছিল বিশাল অংকের খরচ সামাল দিতে। নো বল প্রযুক্তি এক দিন ব্যবহার করতে গেলেই হাজার হাজার ডলার ব্যয় হয়। তা ছাড়া গোটা ম্যাচে মোট ডেলিভারির ০.৫ শতাংশেরও কম নো বল হওয়ার (ওভারস্টেপিং) সম্ভাবনা থাকে। এ কারণে তখন ভাবা হয়েছিল, মাত্র কয়েকটি মুহূর্তের জন্য এ প্রযুক্তির পেছনে হাজার হাজার ডলার খরচ অর্থহীন। তাছাড়া আম্পায়াররা তো বিশেষ এক যন্ত্রের মাধ্যমে প্রতিটি ডেলিভারিতে বোলারের পায়ে ওপর নজর রাখেন। এজন্য এই প্রযুক্তি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

কিন্তু আইপিএলের গত আসরে লঙ্কান গতিদানব লাসিথ মালিঙ্গার এক ডেলিভারির জন্য নো বল প্রযুক্তি ফেরানোর আবেদন করে বিসিসিআই। মুম্বাই ইন্ডিয়ানস-রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ম্যাচে মালিঙ্গার শেষ ডেলিভারি নো বল ছিল। কিন্তু তা মাঠের আম্পায়ারের চোখ এড়িয়ে যায়, আর ওই বলেই বেঙ্গালুরুর হার নিশ্চিত হয়। এ নিয়ে দুই দলের পক্ষ থেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। এখন থেকে পুনরায় চালু করা প্রযুক্তিটি ব্যবহারে খরচের বিপরীতে কী পরিমাণ ভুল হচ্ছে, তার ওপর চোখ রাখবে আইসিসি ও বিসিসিআই। তারপর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা