kalerkantho

সোমবার। ১৯ আগস্ট ২০১৯। ৪ ভাদ্র ১৪২৬। ১৭ জিলহজ ১৪৪০

কিছুই নেই, এর পরও ব্যাডমিন্টন আমার ভালোবাসা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ জুলাই, ২০১৯ ১২:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কিছুই নেই, এর পরও ব্যাডমিন্টন আমার ভালোবাসা

৩৬তম জাতীয় ব্যাডমিন্টনে শাপলা আক্তারের আধিপত্য চলছেই। এককে এলিনাকে হারানোর পর দ্বৈতে এলিনা-নাবিলা জুটিকে এবং মিশ্র দ্বৈতে লালচাঁদ-উর্মিকে হারিয়ে ত্রিমুকুট জিতেছেন আনসারের এই শাটলার। ছয়বার ত্রিমুকুট জয়ী এই তারকা গতকাল নিজের এবং সামগ্রিক ব্যাডমিন্টন নিয়ে কথা বলেছেন কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের সঙ্গে।

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : টানা তিনবার আপনি ত্রিমুকুট জিতলেন। কেমন লাগছে?
শাপলা আক্তার : জয় সব সময় আনন্দ দেয়। এলিনা আপা ছাড়াও নতুন খেলোয়াড়রা উঠে আসছে, তাদের সঙ্গে লড়াই করেই এই সাফল্য ধরে রাখা। যত দিন ভালো লাগবে তত দিন খেলব এবং জিতব। ব্যাডমিন্টন খেলাটা আমি উপভোগ করি।

প্রশ্ন : কিন্তু প্রতিবার জিতলে কি বিতৃষ্ণা তৈরি হয় না?
শাপলা : না। আমার কাছে ব্যাপারটা সে রকম নয়। কোর্টে নামলেই আমি সেরা হওয়ার জন্য লড়াই করি। এটা বলতে পারেন নিজের সঙ্গে নিজের লড়াই। প্রতিবছরই আমি চ্যালেঞ্জটা অনুভব করি টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার সময়। এলিনা আপা ছাড়াও জুনিয়র খেলোয়াড়রা—বৃষ্টি, রেহানা উর্মিরা ভালো করছে। তাই আমিও প্র্যাকটিস করে নিজেকে তৈরি করি। প্রস্তুতিটা খুব খরচের ব্যাপার, এর পরও আমি টুর্নামেন্টের জন্য নিজেকে তৈরি করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।

প্রশ্ন : আপনি বলছেন জুনিয়রা ভালো করছে। আসলে কি সেভাবে জুনিয়র খেলোয়াড় উঠে আসছে, যারা ব্যাডমিন্টন খেলাটাকে এগিয়ে নিতে পারে?
শাপলা : সত্যি অনেক জুনিয়র খেলোয়াড় ভালো খেলার চেষ্টা করে, নিজেদের সেভাবে তৈরি করতে আগ্রহী হয়। কিন্তু ফেডারেশন থেকে তো সে রকম সাপোর্ট নেই। খেলাটিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করবে ফেডারেশন, তারা আন্তরিক হলে খেলোয়াড় তৈরি হবেই। আন্তর্জাতিক খেলাই তো হয় না। তা ছাড়া ছেলেদের খেপ খেলার সুযোগ আছে, যা মেয়েদের নেই। মেয়েরা সাধারণত ইনডোরে খেলে। খেলে কী করব— এভাবে যখন ছোট বোনরা জিজ্ঞাসা করে তখন কোনো জবাব দিতে পারি না। কারণ ব্যাডমিন্টন খেলে তারা কোনো ভবিষ্যৎ দেখে না।

প্রশ্ন : আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আসলে খুব কম...
শাপলা : সত্যি বললে কী, ফেডারেশনেরও কোনো লক্ষ্য নেই। আমরা খেলোয়াড়রা কোনো লক্ষ্য স্থির করে সামনে এগোনোর কথা ভাবতে পারি না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা