kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

গাপটিলদের বিজয়ীর বেশে বরণ করবে নিউজিল্যান্ড সরকার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ জুলাই, ২০১৯ ১৯:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাপটিলদের বিজয়ীর বেশে বরণ করবে নিউজিল্যান্ড সরকার

ছবি : এএফপি

বিশ্বকাপ জিতেছে ইংল্যান্ড; নিউজিল্যান্ড কি হেরেছে? মোটেও নয়। অদ্ভুত বাউন্ডারির নিয়মে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছে ইংলিশরা যা গোটা ক্রিকেটবিশ্ব মানতেই পারছে না! অন্যদিকে বরাবরই ভদ্র নম্র কিউই ক্রিকেটাররা মন জিতে নিয়েছেন গোটা বিশ্বের। যে কারণে তারা দেশে ফিরবেন বীরের বেশে। তাদের বিজয় সংবর্ধনা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের আলোচিত প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডের্ন।

নিউজিল্যান্ডে খেলাধুলোর মধ্যে সব চেয়ে জনপ্রিয় রাগবি। সে তুলনায় ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা অনেকটাই কম। তবু ক্রিকেটের দর্শক মোটেও কম নয়। এমন অদ্ভুত নিয়মে শিরোপা বঞ্চিত হওয়ায় নিউজিল্যান্ডবাসী মর্মাহত। প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা যেমন বলেছিলেন, 'ফাইনালের এই ফলাফলে বেশির ভাগ দেশবাসীর মতো আমিও মর্মাহত। কিন্তু ফল যাই হোক আমাদের ছেলেরা যে অবিশ্বাস্য ক্রিকেট খেলেছে, তা গর্ব করার মতোই। আমি ওদের জন্য গর্বিত।'

গোটা বিশ্বে যখন আইসিসির মুণ্ডুপাত চলছে সেখানে নিউজিল্যান্ডবাসীর আবেগের বহিঃপ্রকাশ ভিন্ন। চির শান্তির এই দেশটির মানুষ আইসিসির প্রতি কোনো আক্রোশ কিংবা নিয়ম কানুন নিয়ে দোষারোপ করছেন না। ওভারথ্রোতে এক আর চারে পাঁচ রান না-হয়ে দুই আর চারে ছয় কেন হলো- তা নিয়েও আইসিসি কিংবা আম্পায়ারদের মুণ্ডপাত করছে না কেউ। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক উইলিয়ামনও ধ্যানমগ্ন ঋষির মতো জবাব দিয়েছেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের। আসলে কিউইরা এরকমই। তারা কর্মে বিশ্বাসী। তারা খেলা প্রেমী, উপমহাদেশের মতো উন্মাদনা নেই।

শান্তিপ্রিয় এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ কিউই পুলিশের কাছে বেশির ভাগ সময়েই আগ্নেয়াস্ত্র থাকে না। সেখানকার সরকারি অফিসেও প্রত্যেককে যথাযোগ্য সম্মান দিয়ে কথা বলা হয়। এটাই আইন, এটাই সৌজন্যতা। ফলে নিউজিল্যান্ডের পুলিশ যখন কোনো গৃহহীন গরিবের সঙ্গে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে কথা বলে, মনে হয় না সেই নাগরিক পুলিশকে ভয় পাচ্ছেন। ফাইনালে হারলেও পঞ্চাশ লক্ষেরও কম জনসংখ্যার ছোট্ট দেশ নিউজিল্যান্ড তাই দুনিয়ার বুকেনেতৃত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। বীরের সংবর্ধনা তো তাদেরই প্রাপ্য।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা