kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৮ জুলাই ২০১৯। ৩ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৪ জিলকদ ১৪৪০

১৫ বছর আগে ধোনির সেই রান-আউট মনে পড়ে পাইলটের?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ জুলাই, ২০১৯ ১৭:২০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



১৫ বছর আগে ধোনির সেই রান-আউট মনে পড়ে পাইলটের?

২০০৪ সাল। বাংলাদেশ সফরে এসেছে ভারতীয় দল। চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচেই ওয়ানডে অভিষেক হয়ে যায় মহেন্দ্র সিং ধোনি নামের ঝাঁকড়া চুলের এক তরুণের। ২৩ ডিসেম্বরের ওই ম্যাচে 'ডাক' মেরে রান আউট হয়ে ফেরেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। ক্যারিয়ারের প্রথম ম্যাচের মতোই সম্ভাব্য শেষ ম্যাচেও একই পরিণতি হয় ভারতের অন্যতম সফল এই অধিনায়কের। গতকাল ১০ জুলাই বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মার্টিন গাপটিলের অসাধারণ থ্রোয়ে রান-আউট হন ধোনি। বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় ভারত।

১৫ বছর আগে ঠিক এই ঘটনা ঘটিয়েছিলেন বাংলাদেশের তখনকার উইকেটকিপার খালেদ মাসুদ পাইলট। তার গ্লাভসে বল পাঠিয়েছিলেন পেসার তাপস বৈশ্য। ধোনির আর ক্রিজে ফেরা হয়নি। অভিষেক ম্যাচে রান আউট হওয়ার পর ধোনির বাড়িতে হামলা চালিয়েছিল ক্ষুব্ধ সমর্থকেরা। সেই আউটের স্মৃতি এখন ফিকে হয়ে গিয়েছে বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদের মনে। তবে ধোনির আত্মজীবনীমূলক মুভি দেখে সেই স্মৃতি মনে করতে পারেন তিনি। 

ভারতের এক পত্রিকাকে পাইলট বলেন, 'অনেক দিন আগের ঘটনা। ভুলে গিয়েছিলাম। ধোনির আত্মজীবনী দেখে আবার মনে পড়ে গেল সেই রান আউটের মুহূর্তটা। ধোনি স্কয়ার লেগে বল ঠেলে রান নেওয়ার জন্য দৌড়েছিল। নন স্ট্রাইক প্রান্তে দাঁড়ানো কাইফ ফিরিয়ে দেয় ধোনিকে। তত ক্ষণে অনেক দেরি করে ফেলেছে ধোনি। তাপস আমাকে বল ছুড়ে দিয়েছে। আমি বল হাতে পেয়েই উইকেট ভেঙে দিই। ধোনির আর ক্রিজে ফেরা হয়নি।'

বুধবারের সেমিফাইনাল দেখেছেন খালেদ মাসুদ। তিনি বলছিলেন, 'ধোনির জন্য খুব খারাপ লাগছিল। অল্পের জন্য ক্রিজে পৌঁছতে পারল না। বিশ্বক্রিকেটে যে কয়জন ক্রিকেটার মস্তিষ্ক দিয়ে খেলে, তর মধ্যে অন্যতম ধোনি। উইকেটের পিছনে দাঁড়িয়ে গোটা ম্যাচটা দারুণ বিশ্লেষণ করে। আমার বিশ্বাস, কোন ব্যাটসম্যানকে কোন জায়গায় বল ফেলতে হবে, সেটা ধোনিই বোলারদের বলে দেয়। বোলার যখন বল করার জন্য দৌড়ন, তখন ক্যামেরা বোলারকেই ধরে। বাকিদের আমরা আর দেখতে পাই না। তাই ধোনি থেকে যায় অদৃশ্য। কিন্তু, ওই তো দলের আসল মস্তিষ্ক।'

বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর ভারতে আওয়াজ উঠেছে ধোনির অবসর নিয়ে। তবে সেমিফাইনালে ধোনির খেলা দেখার পর খালেদ মাসুদ ধোনির অবসরের পক্ষে নন। দুনিয়ার অন্যতম সেরা ফিনিশারের কাছে তার অনুরোধ, 'খেলা যেন চালিয়ে যায় ধোনি। ওর শূন্যস্থান পূরণ করার মতো কাউকে এই মুহূর্তে দেখছি না।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা