kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৮ জুলাই ২০১৯। ৩ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৪ জিলকদ ১৪৪০

ভিডিওতে দেখা গেল ভারতের হার আসন্ন বুঝে কাঁদছেন ধোনি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ জুলাই, ২০১৯ ১৫:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভিডিওতে দেখা গেল ভারতের হার আসন্ন বুঝে কাঁদছেন ধোনি

খেলার মাঠে সুখের মুহূর্ত হোক, আর হোক কষ্টের- মহেন্দ্র সিং ধোনিকে দেখে তা বোঝা মুশকিল। ইস্পাত-কঠিন চোখে মুখে সারাক্ষণ জয়ের চ্যালেঞ্জ থাকে এই তারকা খেলোয়াড়ের। এই চ্যালেঞ্জ অবশ্য সবারই থাকে। তবে মুখাবয়বে তা প্রকাশ পায়। পায় না কেবল ধোনির ক্ষেত্রে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রায় দুই দশক কাটিয়ে দেওয়ার পর ধোনির এই বৈশিষ্ট্য এবার যেন হারিয়ে যেতে বসেছে। কেননা, কেঁদে ফেলেছেন তিনিও। তা-ও আবার ২২ গজের যুদ্ধে হেরে।

গত বুধবার এমনটিই ঘটে ম্যানসেস্টারে। ধোনি এবার গোটা বিশ্বকাপেই যে শিরোনাম তা পারফরম্যান্সের জন্য নয়। নেতিবাচক কারণে বারেবারেই খবরে উঠে এসেছেন তিনি। প্রথমে গ্লাভসে বলিদান চিহ্ন নিয়ে নেমে আইসিসির নেতিবাচক চোখের সামনে পড়েন। এরপর মন্থর ব্যাটিংয়ের জন্য আলোচনার জন্ম দিয়েছেন একাধিকবার। সেমিফাইনাল নিশ্চিত হওয়ার পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর ধীরগতির ব্যাটিং নিন্দার ঝড় তোলে। জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছিল তাঁর অবসর নিয়েও।

তারই যেন প্রায়শ্চিত্ত ঘটল ম্যানসেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে। সেই রান তাড়া করতে নেমে হারের জন্য শিরোনাম ছিল অতিরিক্ত স্লো ব্যাটিং। আস্কিং রেট ১২ পেরিয়ে যাওয়ার পরও ধোনি হাত খুলে খেললেন না কিংবা খেলতে পারলেন না। একপর্যায়ে জাদেজার সঙ্গে তাঁর পার্টনারশিপে ম্যাচে ফিরে আসে ভারত। জাদেজা যেখানে মারমুখী ৫৯ বলে ৭৭, সেখানে ধোনির ৬৯ স্ট্রাইক রেট রেখে ৭২ বলে ৫০। এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে শেষদিক গাপ্টিলের দুর্ধর্ষ থ্রো-য়ে আউট তিনি। ম্যাচে থাকার সম্ভবনা শেষ হয়ে যায় সেখানেই।

এমন হারের পরও যথারীতি ভিলেন তিনি। তাই আর স্থির থাকতে পারলেন না, মাঠেই চোখের জল ফেললেন তিনি। যা দেখে চরম সমালোচকদের মনও অনেক জলে ভরে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কান্নার সেই ছবি ভাইরাল হয়। এরপর  অনেকেই পাশে দাঁড়ান ধোনির।

তারা মন্তব্য করেন, 'চ্যাম্পিয়নরা কখনও কাঁদে না। তুমি আমাদের দুটো বিশ্বকাপ এনে দিয়েছ।' কেউ কেউ লিখেছেন, 'আমাদের আনন্দ করার প্রচুর মুহূর্ত দিয়েছ তুমি। তাই কেঁদো না।' অনেকে লিখেছেন, 'আমরা তোমার সঙ্গে আছি। 'কারও কান্না-ভেজা টুইট ছিল, 'তোমার কান্না দেখে আমরাও কাঁদছি।' 

সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা