kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ জুলাই ২০১৯। ৮ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৯ জিলকদ ১৪৪০

সত্যি '৯২-এর পুনরাবৃত্তি করল পাকিস্তান, তবে কি?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৭ জুন, ২০১৯ ০৯:৫০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সত্যি '৯২-এর পুনরাবৃত্তি করল পাকিস্তান, তবে কি?

বৃষ্টির কারণে রঙ হারানো একদিনের বিশ্বকাপ যেন আবার রঙ ফিরে পেয়েছে। এক কথায় জমে উঠেছে বিশ্বকাপ। একমাত্র দল হিসেবে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে শুধু অস্ট্রেলিয়া। গতকাল অনুষ্ঠিত পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচটি যদি নিউজিল্যান্ড জয় পেত তবে তারাও সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে পারতেন। তবে সেটা হতে দিলেন না পাকিস্তান! ম্যাচটির আগেই আলোচনা হচ্ছিল পাকিস্তান কি ১৯৯২ বিশ্বকাপের পুনরাবৃত্তি করতে যাচ্ছে কিনা। ইংল্যান্ডের মাটিতে দিন শেষে তাই সত্যি করলো পাকিস্তান। এশিয়ান এই দলটি পেলেন ৬ উইকেটের বড় জয়। আর ১৯৯২ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের প্রথম ছয় ম্যাচের ফলাফল ছিলো যথাক্রমে হার, জয়, পরিত্যক্ত, হার, হার ও জয়। এবারও প্রথম ছয় ম্যাচে ঠিক হার, জয়, পরিত্যক্ত, হার, হার ও জয় দেখেছে পাকিস্তান। সেবার প্রথম ম্যাচ ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরেছিল ইমরান খানের দল, এবার সরফরাজ আহমেদের দলও ক্যারিবীয়দের কাছেই হেরেছে নিজেদের প্রথম ম্যাচ।
শুধু কি তাই? ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপের সপ্তম ম্যাচে অপরাজিত নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল পাকিস্তান। সে ম্যাচে জয়লাভ করেই সেমির টিকিট নিশ্চিত করে তারা। এবারও নিজেদের সপ্তম ম্যাচে এখন পর্যন্ত কোন ম্যাচ না হারা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নেমে জয় পেল পাকিস্তান। আশা জাগিয়ে রাখলো সেমির। তবে কি এবারের বিশ্বকাপও উঠতে যাচ্ছে এশিয়ার এই দলটির হাতে? সময় বলে দেবে সেটা।
এ দিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন উইলিয়ামসন। কিন্তু আবহাওয়ার ফায়দা তুলে দুরন্ত বোলিং শুরু করেন মহম্মদ আমির ও শাহিন আফ্রিদি। তাঁদের সুইংয়ের সামনে গাপটিল, মুনরো, রস টেলর, ল্যাথাম কেই দাঁড়াতে পারেননি। কেন উইলিয়ামসন কিছুটা চেষ্টা করলেও তাঁকে ৪১ রানের মাথায় আউট করেন শাদাব খান। ৮৩ রানে ৫ উইকেট পড়ে যায় কিউয়িদের।
তারপর খেলা ধরেন জেমস নিশাম ও কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম। প্রথমে উইকেট ধরে পার্টনারশিপ গড়েন তাঁরা। হাত সেট হয়ে গেলে মারা শুরু করেন। তাঁদের ১৩২ রানের পার্টনারশিপে কিছুটা সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছয় নিউজিল্যান্ড। ডি গ্র্যান্ডহোম ৬৪ করে আউট হন। নিশাম ৯৭ করে অপরাজিত থাকেন। ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৩৭ তোলে নিউজিল্যান্ড।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি পাকিস্তানেরও। ফখর জামান ৯ ও ইমাম উল হক ১৯ করে আউট হন। মোহাম্মদ হাফিজ, বাবর আজমের সঙ্গে পার্টনারশিপ গড়ার চেষ্টা করলেও ৩২ রানের মাথায় আউট হন। এরপর  বাবর আজম ও হ্যারিস সোহেল পার্টনারশিপ গড়লেন। কোনও বোলার তাঁদের সমস্যায় ফেলতে পারছিলেন না। বাবর আজম বিশ্বকাপে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি করেন। অন্যদিকে আগের ম্যাচের পর এ ম্যাচেও হাফ সেঞ্চুরি করলেন সোহেল। দুজনে মিলে ১২৪ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। শেষে ৬৮ রানের মাথায় রানআউট হন সোহেল। ৫ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে যান সরফরাজরা। বাবর ১০১ করে অপরাজিত থাকেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা