kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ জুলাই ২০১৯। ৮ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৯ জিলকদ ১৪৪০

সমুদ্র থেকে রেস্তোঁরায় আসা নীল লবস্টারটির ঠাঁই হলো অ্যাকোরিয়ামে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ জুন, ২০১৯ ০৯:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সমুদ্র থেকে রেস্তোঁরায় আসা নীল লবস্টারটির ঠাঁই হলো অ্যাকোরিয়ামে

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের এক রেস্তোঁরা কর্তৃপক্ষ বাক্সভর্তি চিংড়ি কিনে আনেন রান্নার জন্য। বাক্স খুলতে অনেকগুলো লবস্টারের ভিড়ে দেখা যায়, ঘন নীল রঙের একটি চিংড়ি।

দেখেই চমকে উঠেছিলেন রেস্তোঁরা মালিক নিকারসেন। ভেবেছিলেন, চিংড়ির পেটিতে ওরকম একটি প্রাণী এলো কীভাবে? তারপর রেস্তোঁরার সব কর্মীরা দেখে বুঝতে পারেন, ওটি আর কিছুই নয়।  একটি লবস্টার, যার গায়ের রং নীল। নিকারসেন চিংড়িটিকে রান্নাঘরে চালান না দিয়ে আলাদা রেখে দেন। পরে রেস্তোরায় যাওয়া ক্রেতাদের সেটি দেখান। দেখে তাজ্জব বনে যান সবাই।

এই খবর পৌঁছায় প্রাণী বিশেষজ্ঞদের কাছে। তাঁরা নিকারসেনের আরনল্ড লবস্টার অ্যান্ড ক্লাম বারে গিয়ে নীল লবস্টারটি দেখেন৷।পরীক্ষানিরীক্ষার পর জানা যায়, এটি অত্যন্ত বিরল প্রকৃতির এক সামুদ্রিক প্রাণী। জিনগত সমস্যার কারণে ২০ লক্ষ লবস্টারের মধ্যে মাত্র একটির রং এমন নীল হয়। ঘটনাচক্রে ম্যাসাচুসেটসের ওই রেস্তোঁরায় কীভাবে যে এলো, তা বুঝতে পারছেন না কেউই৷

রেস্তোঁরা মালিক নিকারসেন বিরল সেই চিংড়ির ছবি তুলে নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন। জানান, নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা। তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাতায় পাতায়। অনেকে চিংড়িটি দেখতে চেয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। আর এসবের জের ধরে নিকারসেন সিদ্ধান্ত নেন, নীল লবস্টারটিকে তিনি একটি অ্যাকোরিয়ামে দেবেন। যাতে আরও বেশি মানুষ বিরল সামুদ্রিক প্রাণীটিকে স্বচক্ষে দেখার সুযোগ পান।

নিকারসেন বলেন, 'আমি এই লবস্টারটি সেন্ট লুইস অ্যাকোরিয়ামে দিতে চাই, বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণী সংরক্ষণে তাঁরা বেশ সুনামের সঙ্গে কাজ করেন।' 

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা