kalerkantho

শুক্রবার । ১৯ জুলাই ২০১৯। ৪ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৫ জিলকদ ১৪৪০

গুরুকে জন্মদিনে সেরা উপহার টাইগারদের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ জুন, ২০১৯ ১৩:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গুরুকে জন্মদিনে সেরা উপহার টাইগারদের

গতকাল ছিল টাইগার কোচ স্টিভ রোডসের ৫৬তম জন্মদিন। তার জন্মদিনে উইন্ডিজের বিপক্ষে ৭ উইকেটের অসাধারণ এক জয় উপহার দিয়েছেন তার শিষ্যরা। গুরুর জন্মদিনে শিষ্যদের থেকে এর চেয়ে ভালো উপহার আর কী হতে পারে! 

১৯৬৪ সালের যুক্তরাজ্যের ইয়র্কশায়ারে জন্মগ্রহণ করেন স্টিভ রোডস। তার বাবা উইলিয়াম রোডসও ছিলেন ক্রিকেটার। কাউন্টিতে নটিংহ্যাম্পশায়ারের হয়ে খেলেছেন ৩০ বছর। স্টিভের ছেলে, জর্জ রোডসও বর্তমানে খেলছেন ক্রিকেট। খেলোয়াড়ি জীবনে রোডস ছিলেন উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। ইংল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার যদিও অতটা সমৃদ্ধ নয়। তবে প্রথম শ্রেণীর ক্যারিয়ার তার বেশ লম্বা ও সমৃদ্ধ। ইংল্যান্ডের হয়ে ২২ টেস্ট ও ৯ ওয়ানডে খেলেছিলেন রোডস। কাউন্টি ক্রিকেটে উস্টারশায়ার ও ইয়র্কশায়ারের হয়ে ১৯৮১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত খেলেছেন ৪৪০টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ। সাকিব আল হাসানও ২০১০-১১ মৌসুমে কাউন্টিতে উস্টারশায়ারের হয়ে খেলেছিলেন।

বাংলাদেশের আগে কোনো জাতীয় দলকে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা ছিল না রোডসের। তবে খেলা ছাড়ার পর উস্টারশায়ারের কোচের দায়িত্বে ছিলেন প্রায় এক যুগ। সাফল্যও এনে দিয়েছেন বেশ। কাউন্টি ক্রিকেট খেলার মূল শর্ত একজন ক্রিকেটারের ব্যাসিক ভালো থাকা। স্টিভ রোডস সে জায়গায় দারুণ শক্তিশালী। তার ক্রিকেট ব্যাসিক তিনি ছড়িয়ে দিচ্ছেন টাইগারদের মাঝেও।

টাইগারদের হয়ে গত এক বছরে পেয়েছেন বেশ কিছু সাফল্য। উইন্ডিজের মাটিতে তাদের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়, এশিয়া কাপের ফাইনালে পৌঁছানো, দেশের মাটিতে উইন্ডিজকে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ হারানো এবং সর্বশেষ গতমাসে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ জয়। বিশ্বকাপে এসেও দক্ষিণ আফ্রিকা ও উইন্ডিজকে হারিয়েছে বাংলাদেশ তার অধীনে। 

তবে গত এক বছরে সবচেয়ে খুশী হয়েছেন বোধহয় গতকালই। নিজের জন্মদিনে নিজেদের বাঁচা-মরার ম্যাচে যে তাকে জয় উপহার দিয়েছে তার শিষ্যরা। রীতিমত উড়িয়ে দিয়েছে বলতে হবে ক্যারিবীয়দের। ৩২২ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ৮ ওভার বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় টাইগাররা। ড্রেসিংরুমে রোডসকে স্বভাবতই দারুণ উচ্ছ্বসিত দেখাচ্ছিল।  

স্টিভ রোডসের সাথে চুক্তি ২০২০ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত। ততদিন ঠিকমত থাকতে পারলে যে আরো বেশ কিছু সাফল্য এনে দেবেন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না নিশ্চয়ই।

মন্তব্য