kalerkantho

সোমবার । ২২ জুলাই ২০১৯। ৭ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৮ জিলকদ ১৪৪০

গতি আর শর্ট বল সামলাতে প্রস্তুত টাইগাররা?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ জুন, ২০১৯ ১৪:৩১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



গতি আর শর্ট বল সামলাতে প্রস্তুত টাইগাররা?

বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত খেলা তিন ম্যাচেই বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রতিপক্ষের পরিকল্পনা ছিল শর্ট বাউন্সার দিয়ে কাবু করা। মোটামুটি সফলও হয়েছে তারা। তামিম ইকবাল তিন ম্যাচেই শর্ট বলে উইকেট ছুড়ে দিয়ে এসেছেন। তাছাড়া শর্ট বাউন্সারের সাথে গতি বেশ ভুগিয়েছে টাইগারদের। উইন্ডিজ বোলিং লাইনআপও একইভাবে আক্রমণের পরিকল্পনাতেই থাকবে নিশ্চয়ই। সে আক্রমণ সামলাতে কতটা প্রস্তুত টাইগাররা? 

টনটনে পৌঁছানোর পর গতকালই ছিল টাইগারদের প্রথম নেট সেশন। ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি মাথায় নিয়েই নেট সেশন সারেন সাকিব-তামিমরা। বলার অপেক্ষা রাখে না গতকালের নেট সেশনের অনেকটা জুড়েই ছিল গতি আর শর্ট বল মোকাবেলা নিয়ে। পাশাপাশি তিন নেটে ব্যাটিং করা সাকিব, মুশফিক, তামিম সবাই আলাদাভাবে শর্ট বল খেলার প্র্যাকটিস করে নিয়েছেন। আর্ম থ্রোয়ার তো বটেই, স্থানীয় বেশ কিছু গতিময় নেট বোলার গতকাল বোলিং করেছেন টাইগারদের নেটে। সেগুলোতে নিজেদের ঝালিয়ে নিয়েছেন মুশি-তামিমরা। মুস্তাফিজের ছোড়া একটা বাউন্সার তো যেয়ে আঘাত হানল মুশফিকের হাতেই, তাতে মাঠ ছেড়ে বেড়িয়ে যেতে হলো তাকে। তাতেও থেমে থাকেনি বাউন্সার সামলানোর প্র্যাকটিস।

বাংলাদেশকে কাবু করার সবচেয়ে দারুণ অস্ত্র শর্ট বল, এটা কারোরই অজানা নয়। উইন্ডিজ তো এবার সব দলের বিপক্ষেই মূল অস্ত্র মানছে শর্ট বল আর গতিকে। আর টনটনের কন্ডিশনও থাকবে পেস বান্ধব। বাংলাদেশ শিবিরও তাই জানে, ১৭ জুন ভালো কিছু করতে হলে টনটনের বাইশ গজে গতি আর শর্ট বল মোকাবেলা করতে হবে। 

গতকাল সংবাদ সম্মেলনে এসে তামিম ইকবাল জানালেন, তারা উইন্ডিজের পরিকল্পনা ধরেই প্র্যাকটিস করেছেন। "দেখুন, উইন্ডিজের বেশ কয়জন দারুণ ফাস্ট বোলার রয়েছে। তারা নিয়মতি ১৪০ কিলোমিটার উপরে বল করতে পারে। বাউন্সারটাও তারা বেশ দারুণভাবে ছুঁড়তে পারে। অস্ট্রেলিয়া পাকিস্তানের বিপক্ষে তারা একই পরিকল্পনা নিয়েই নেমেছিল। আমাদের বিপক্ষেও যে তারা শর্ট বল আর গতি দিয়ে জিততে চাইবে সেটা আমাদের জানা আছে। আমরা সে অনুযায়ী নিজেদের ঝালিয়ে নিয়েছি। এটা দারুণ এক চ্যালেঞ্জ হবে, কোনো সন্দেহ নেই। তবে আমরা প্রস্তুত। শুরুর দিকে সামাল দেওয়াটাই বড় চ্যালেঞ্জ আসলে।" 

তামিম জানান, উইন্ডিজ বোলিং লাইনআপের প্রায় সবাইকেই কিছুদিন আগে আয়ারল্যান্ডের মাটিতে বেশ ভালভাবেই মোকাবেলা করে এসেছে টাইগাররা। সেই আত্ববিশ্বাস কাজে দেবে টনটনে। শুধু ওশান থমাস ও আন্দ্রে রাসেল ছিলেন না আয়ারল্যান্ড সিরিজে। থমাসকেও গেল বছর ডিসেম্বরে নিজেদের মাটিতে বেশ ভালো সামাল দিয়েছিল টাইগাররা। 

তিনি জানান, আমাদের যথেষ্ট ধারণা আছে ওদের বোলিং লাইনআপ নিয়ে। সাম্প্রতিক সময়ে ওদের সাথে বেশ কিছু ম্যাচ খেলেছি, এবং আমরা ভালো করেছি। তাই তাদের পরিকল্পনা সম্পর্কে আমরা ভালভাবেই অবগত আছি। আমাদের নিজেদেরও পরিকল্পনা আছে তাদের বিপক্ষে। সেভাবেই আগানোর চেষ্টা করব আমরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা