kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৬ জুলাই ২০১৯। ১ শ্রাবণ ১৪২৬। ১২ জিলকদ ১৪৪০

ভারত ম্যাচের আগেই স্ত্রী-সঙ্গ বিতর্কে পাক শিবির

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ জুন, ২০১৯ ১৪:৪৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ভারত ম্যাচের আগেই স্ত্রী-সঙ্গ বিতর্কে পাক শিবির

২৪ ঘণ্টা পরই ভারত ম্যাচ। কাজেই এই মহারণ ঘিরে দুই দেশেই উত্তাপ সর্বত্র। তার আগেই পরিবার, স্ত্রী-সঙ্গ ইস্যুতে বিতর্ক দেখা দিয়েছে পাকিস্তান শিবিরে। সরফরাজ খানের নেতৃত্বেই বিশ্বকাপে ভারত বধের স্বপ্ন দেখছে পাকিস্তান। বিশ্বকাপেই আবার পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা স্ত্রী ও পরিবারদের সঙ্গে থাকার অনুমতি দিয়েছে। এমন অবস্থাতেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে তুলোধোনা করেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ ইউসুফ। ভারতের সঙ্গে ম্যাচের আগে তিনি পিসিবি'র এমন নির্দেশিকায় বেশ ক্ষিপ্ত।

নিজের খেলোয়াড়ি অভিজ্ঞতার উদাহরণ টেনে ইউসুফ জানিয়েছেন, ১৯৯৯, ২০০৩ ও ২০০৭- এই তিন বিশ্বকাপ দলের সদস্য ছিলাম। কিন্তু আমাদের সময়ে বোর্ড কখনই টুর্নামেন্ট চলাকালীন পরিবার সঙ্গে রাখার অনুমতি দেয়নি। ১৯৯৯ বিশ্বকাপ স্কোয়াডে অনেক বড় বড় নাম ছিল। ইচ্ছা করলেই একই হোটেলে আমাদের স্ত্রী-সন্তানদের থাকতে দেওয়ার ব্যাপারে বোর্ডের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে পারতাম। কিন্তু আমরা তা করিনি। কারণ, বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে ক্রিকেটারদের ফোকাস কেবল ক্রিকেটেই থাকা উচিত।

পাকিস্তানের জার্সিতে তিনি তারকার সম্মান পান। জাতীয় দলের হয়ে ৯০টি টেস্ট ও ২৮৮টি ওয়ানডে খেলা ইউসুফ বলছেন, বিদেশ সফরে ওয়ানডে সিরিজ বা টুর্নামেন্ট চলাকালীন পুরো সময় ধরে মোটেই পরিবারকে পাশে পেতেন না তারা। একমাত্র টেস্ট সিরিজ চলাকালীন পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের পরিবারের সঙ্গে থাকতে দেওয়া হত। কারণ, প্রতিটি টেস্টে এক-একটি শহরে কমপক্ষে ১০দিন থাকতে হয়। সেই কারণে এই সিদ্ধান্ত অনেকাংশেই যুক্তিযুক্ত।

ভারত ম্যাচের আগেও ক্রিকেটারদের সঙ্গে পরিবার রাখতে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে কিছুতেই সমর্থন করতে পারছেন না ইউসুফ। তিনি সাফ জানাচ্ছেন, সেরকম হলে টুর্নামেন্টের শুরুর দিকে ফ্যামিলি রাখার অনুমতি দিতে পারত। কিন্তু ভারত ম্যাচে কোনোভাবেই এমন অনুমতি দেওয়া ঠিক হয়নি। এমনিতে পাকিস্তান টুর্নামেন্টে বর্তমানে মোটেই ভালো খেলতে পারছে না। প্রথম চারটে ম্যাচেই দুটো হার হজম করতে হয়েছে। এমন অবস্থায় খেলায় মনোসংযোগ নষ্ট হয়ে ভারত ম্যাচে ফের বিপর্যয়ের সামনে পড়তে পারে পাক বাহিনী। এমনটা ভেবেই শঙ্কিত তিনি।

ভারত আবার উলটো পথে হেঁটেছে। বিশ্বকাপের প্রথম ২০ দিন যাতে কোনো ক্রিকেটারকেই তাদের স্ত্রীদের সঙ্গে দেখা না যায়, তা নিয়ে রীতিমতো কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়। দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে গ্যালারিতে সাক্ষী ধোনিকে দেখতে পাওয়া যাওয়ায় একপ্রস্থ বিতর্কও তৈরি হয়েছিল। যাইহোক, মহারণের আগে স্ত্রী-সঙ্গের নির্দেশিকা কোনো দলের পারফরম্যান্সে কেমন প্রভাব ফেলে, সেটাই দেখার।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা