kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

লাওস পরীক্ষায় প্রত্যয়ী জেমি ডে

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

২৪ মে, ২০১৯ ০৯:১০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



লাওস পরীক্ষায় প্রত্যয়ী জেমি ডে

বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বাফুফে ভবনে এলেন জেমি ডে। আজ শুক্রবার পুরো দল নিয়ে থাইল্যান্ড রওনা হওয়ার আগে মুখোমুখি হলেন সাংবাদিকদের। থাইল্যান্ডেও আঁটসাঁট সূচি। ১০ দিনের ক্যাম্পেই দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে জাতীয় দল। আগামী ৩ জুন তারা লাওসের বিমান ধরবে, ৬ জুন ম্যাচ।

খুব মানানসই হতো লাওসের বিপক্ষে আগামী চার বছরের ভাগ্য নির্ধারণী গুরুত্বপূর্ণ এই প্লে-অফের আগে কোচ মাঠে বসে যদি লিগের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ দেখতেন, চেন্নাইন এফসির বিপক্ষে আবাহনীর জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের হার না মানা লড়াই দেখতেন। সেটা না হয়ে প্রায় ‘রেডিমেড’ একটা দল নিয়ে তিনি লাওস অভিযানে নামছেন। এর ব্যাখ্যাও আছে কোচের কাছে, ‘যে খেলোয়াড়দের সঙ্গে আমার কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে, যাদের আমি ভেতর-বাহির জানি, আমার কাজের ধরন যারা জানে, তাদের মধ্যে থেকেই দলটা আমি করেছি। নতুন খেলোয়াড় নিয়ে এই অল্প সময়ের জন্য আমি ঝুঁকি নিতে চাইনি।’ সর্বশেষ কম্বোডিয়ার বিপক্ষে খেলা স্কোয়াডের থেকে যে বদলগুলো হয়েছে, সেগুলো আসলে না হলেই নয়। যেমন ডিফেন্সে তপু বর্মণের বিকল্প খুঁজতেই হয়েছে কোচকে। তাতে নাসিরউদ্দিন চৌধুরীকে তিনি ফিরিয়েছেন, নতুন সুযোগ দিয়েছেন সাইফ স্পোর্টিংয়ের সেন্টারব্যাক রিয়াদুল হাসানকে। ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার আতিকুর রহমানের ইনজুরিও বড় ধাক্কা। বিকল্প হিসেবে অভিজ্ঞ মামুনুল ইসলামকে তিনি রেখেছেন। গোলরক্ষক শহীদুল আলমের ইনজুরিতে আনিসুর রহমান, আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে দলে ফিরেছেন মাজহারুল ইসলাম। তৌহিদুল আলম লিগে তেমন ম্যাচ না পেলেও চেনা হিসেবে থেকে গেছেন, তেমনি সুযোগ পেয়েছেন ফর্মে না থাকা আবাহনীর সোহেল রানাও।

গত মার্চে কম্বোডিয়া ম্যাচ শেষেই জেমি দেশে ফিরে যান, উয়েফা প্রো-লাইসেন্সের পরীক্ষায় বসেছেন তিনি। সেটিরই প্রথম ভাগ শেষ করে এলেন। বাফুফের সঙ্গে নতুন এক বছরের চুক্তি নিয়ে দর-কষাকষিতেও সময় পেরিয়েছে। অবশেষে তিনি ফিরলেন, ফিরলেন একেবারে লড়াইয়ের ময়দানে। কালও বসুন্ধরা কিংস, আবাহনী প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলেছে। মতিন মিয়া, টুটুল হোসেন, ইমন মাহমুদরা কোনো বিশ্রাম ছাড়াই তাই থাইল্যান্ডের বিমান ধরছেন। আজ দুপুরে ফ্লাইট, অর্থাৎ রাত থেকেই আক্ষরিক অর্থে নতুন লড়াইয়ের জন্য তৈরি হতে হচ্ছে। জেমির অধীনেই বাংলাদেশ এশিয়ান গেমসের শেষ ষোলোতে উঠেছে, সাফে পাকিস্তান, ভুটানকে হারিয়েছে, বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে হারিয়েছে লাওসকেই, সর্বশেষ কম্বোডিয়ার বিপক্ষেও জয়। নতুন চ্যালেঞ্জের মুখেও তাই কম্পমান নন জেমি, বরং প্রত্যয়ী, ‘এই প্লে-অফের গুরুত্ব আমি জানি। আমাদের জিততেই হবে। লাওসকে নিয়ে আমার যথেষ্ট ধারণা আছে। আমি এই চ্যালেঞ্জটা নিতে মুখিয়ে আছি।’ ৬ জুনের পর ১১ জুন ঢাকায় বিশ্বকাপ প্রাক-বাছাই এই প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগ।

স্কোয়াড
গোলরক্ষক : আনিসুর রহমান, আশরাফুল ইসলাম, মাজহারুল ইসলাম; ডিফেন্ডার : টুটুল হোসেন, ইয়াসিন খান, নাসিরউদ্দিন চৌধুরী, সুশান্ত ত্রিপুরা, বিশ্বনাথ ঘোষ, রিয়াদুল হাসান, রহমত মিয়া; মিডফিল্ডার : মামুনুল ইসলাম, সোহেল রানা, মাশুক মিয়া, ইমন মাহমুদ, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, বিপলু আহমেদ, জামাল ভুঁইয়া, রবিউল হাসান, আরিফুর রহমান; ফরোয়ার্ড : নাবিব নেওয়াজ, মাহবুবুর রহমান, তৌহিদুল আলম, মতিন মিয়া।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা