kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ মে ২০১৯। ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৫ রমজান ১৪৪০

জায়েদকে ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক করেন মাশরাফি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ মে, ২০১৯ ১৮:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জায়েদকে ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক করেন মাশরাফি

ওয়ানডে অভিষেকটা বলার মতো হয়নি। খরুচে বোলিং করে ছিলেন উইকেটশূন্য। অনেকেই ভেবেছিলেন, বিশ্বকাপে সাইড বেঞ্চেই বসে থাকতে হবে তাকে। কথাটা যে একেবারেই মিথ্যা তা নয়; কারণ বিশ্বকাপ দলে পেসারদের ছড়াছড়ি। তবে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে গতকাল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ উইকেট নিয়ে একাদশে আসার দাবিটাও জানিয়ে রাখলেন আবু জায়েদ রাহি। আর এসব সম্ভব হয়েছে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার কিছু পরামর্শের জন্য। সাংবাদিকদের এমন কথাই বলেছেন ২৫ বছর বয়সী এই তরুণ পেসার।

ত্রিদেশীয় সিরিজের মধ্যে হুট করে সোশ্যাল সাইটে আলোচনা শুরু হয় যে, বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়তে পারেন আবু জায়েদ। একজন তরুণ ক্রিকেটারের ওপর এসব আলোচনা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যেমনটা হয়েছিল সৌম্য সরকার কিংবা সাব্বির আহমেদের ক্ষেত্রে। কিছু অনলাইন পোর্টালও এসব আলোচনা ছড়ানোর জন্য দায়ী। এত হইচইয়ের মধ্যে নিজের কাজে মনোযোগ ধরে রাখা ভীষণ কঠিন। কিন্তু যে দলে ছায়া দিয়ে যাচ্ছেন মাশরাফির মতো একজন, সেখানে একজন তরুণ ক্রিকেটার তো মানসিক কষ্টে ভুগতে পারেন না।

অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার মনে হচ্ছিল, বাইরের কথায় বিচলিত হয়ে পড়ছেন আবু জায়েদ। যে কারণে স্বস্তিতে বোলিং করতে পারছেন না। তাই তিনি জায়েদকে বলেন, 'মন খুলে বোলিং কর, যেমনটা প্রিমিয়ার লিগে, বিপিএলে করিস। মনে কোনো ভয় নিয়ে বোলিং করিস না। যেটা ইচ্ছা কর। ভয় পাওয়ার কিছু নেই।' এতেই কাজ হয়। পরের ম্যাচেই ৫ উইকেট শিকার করে তাক লাগিয়ে দেন জায়েদ। শুধু মন খুলে খেলার পরামর্শ নয়; সোশ্যাল সাইট ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও মাশরাফির পরামর্শ কাজে লেগেছে জায়েদের।

এই তরুণ পেসার সাংবাদিকদের বলেন, 'প্রথম দিকে মনে হচ্ছিল একটা উইকেট যেন পাই। টানা দুই ম্যাচে উইকেটশূন্য যেন না থাকি। প্রথম ম্যাচে উইকেট পাইনি, আর বাইরের ব্যাপারটা মাথায় আনিনি। রিয়াদ ভাই, মুশফিক ভাই, মাশরাফি ভাই বলছিলেন, এসব নিউজে মাথা ঘামাস না। তুই ভালো খেললে দলে অবশ্যই থাকবি। মাশরাফি ভাই একটা কথা বলছিল, যদি ফেসবুক সহ্য করতে পারিস তাহলে ব্যবহার করবি। সহ্য করতে না পারলে বন্ধ করে দে।'

মন্তব্য