kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ মে ২০১৯। ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৫ রমজান ১৪৪০

মেসি দম্পতির বাল্যপ্রেমের ছবি ভাইরাল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ এপ্রিল, ২০১৯ ১৯:০৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মেসি দম্পতির বাল্যপ্রেমের ছবি ভাইরাল

আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি আর আন্তোনেল্লা রোকুজ্জোর প্রেমকাহিনীর কথা কে না জানে। দুই বছর আগে ২০১৭ সালে এই প্রেম পরিণতি পেয়েছে। ছোটবেলার খেলার সঙ্গী আন্তনেলা রোকুজ্জোর সঙ্গে প্রেমের ইনিংস শুরু করেন বার্সেলোনা সুপারস্টার। বলতে গেলে দুজনে একসঙ্গেই বেড়ে উঠেছেন আর্জেন্টিনার রোজারিওতে। যখন প্রেম বোঝার বয়স হয় দুজনের, তখন থেকেই সম্ভবত তাদের প্রেম কাহিনীর শুরু।

কিশোরী প্রেমিকার জন্য একটি প্রেমপত্রও লিখেন মেসি। তাতে লেখা ছিল, 'একদিন আমরা প্রেমিক-প্রেমিকা হব।' রোকুজ্জো কিশোর প্রেমিকের সেই আহ্বান ফেরাতে পারেননি। শুরু হয় মন দেওয়া-নেওয়ার পর্ব। কিন্তু প্রেমিকা ছাড়াও তো মেসির আরেকটি জগত আছে। আর তা হলো ফুটবল। ৪ বছর নিরবিচ্ছিন্ন প্রেম চলে। ওই সময় কে জানত, এই মেসিই একদিন দুনিয়া কাঁপাবে? ফুটবলের প্রেমে পড়েই মাত্র ১৩ বছর বয়সে বার্সেলোনায় পাড়ি জমান মেসি। 

কিশোরী রোকুজ্জোর জীবনে এসেছিলেন আরও এক প্রেমিক।

এদিকে রোজারিওতে বসে রোকুজ্জো ভাবেন, তার প্রেমিক হয়তো আর ফিরে আসবে না। এই সময়টুকুর মধ্যে রোকুজ্জোর জীবনে আরেকটি পুরুষের আবির্ভাব ঘটে। একাকী বিষণ্ন রোকুজ্জো নতুন প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। সেই সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ততদিনে বার্সেলোনায় মেসির নামডাক হয়ে গেছে। কারণ এর মধ্যেই রোকুজ্জো খবর পান, মেসি ফিরে আসছেন আর্জেন্টিনায়। এ কথা শুনেই রোকুজ্জোর ঘোর কেটে যায়। নতুন প্রেমিককে 'স্যরি' বলতেই হয় তাকে।

কেমন ছিল মেসি-রোকুজ্জোর ছোটবেলার সম্পর্ক? আর্জেন্টিনার একটি সংবাদপত্র ছবিটি প্রকাশ করার পর সেটা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। ছবিতে দেখা যায় সমুদ্রপাড়ে আরও কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে খেলছেন মেসি-রোকুজ্জো। ছবিতে রোকুজ্জোর কাঁধে হাত দিয়ে হাটুগেড়ে বসে থাকতে দেখা যায় মেসিকে। ছবিটি ১৯৯৮ সালের জানুয়ারি মাসের। মেসির বয়স তখন ১০। রোকুজ্জোর বয়স ছিল তখন ৯ বছর। ছবিটি আর্জেন্টিনার মার ডেল প্লাতার পুন্তা মোগেটেস সৈকতে তোলা হয়েছিল। 

এটাই মেসি-রোকুজ্জোর ছেলেবেলার ছবি। 

বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা ওই সময় হরমনজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন।  সেই সময় নিউওয়েলস ওল্ড বয়েজের হয়ে খেলতেন তিনি। খেলার অবসরে মেসি তার সতীর্থ ফ্রান্সিসকো লুদুয়েনিয়ার বাড়িতে যান। একদিন মোগেটেস সমুদ্র সৈকতে গিয়েছিলেন বন্ধুরা মিলে। আরেক সতীর্থ লুকাস স্কাগলিয়াও ছিলেন দলে। লুকাসের মামাতো বোন হলেন রোকুজ্জো। লুকাসের সঙ্গে রোকুজ্জোও সৈকতে যান সেদিন। এদিনই মেসি-রোকুজ্জোর পরিচয়। এরপর থেকে ধীরে ধীরে শুরু হয় অমর প্রেমকাহিনীর। রোকুজ্জো ছাড়া আর কোনো নারী এখন পর্যন্ত মেসির জীবনে আসেনি।

মন্তব্য