kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৫ রবিউস সানি          

পান্তের ব্যাটে দিল্লির শুভ সূচনা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ মার্চ, ২০১৯ ০২:৩০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পান্তের ব্যাটে দিল্লির শুভ সূচনা

আইপিএলের প্রথম আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচটিতেই হেরেছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। এরপর টানা ৪ আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচ জিতে আসরের শুভসূচনা করে টুর্নামেন্টের ইতিহাসের অন্যতম সেরা দলটি।

তবে সবশেষ ৬ আসরের কোনোটিতেই প্রথম ম্যাচের জয়ের মুখ দেখেনি মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। যে ধারাবাহিতা বজায় থাকল টুর্নামেন্টের দ্বাদশ আসরেও। এবার ঘরের মাঠে রিশাভ পান্তের ঝড়ে দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে ৩৭ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে রোহিত শর্মার দল।

রবিবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় দুই দল। যেখানে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দিল্লি নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রানের বিশাল স্কোর গড়ে। জবাবে ৪ বল বাকি থাকতে ১৭৬ রানে গুটিয়ে যায় মুম্বাই।

২১৪ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় মুম্বাই। একমাত্র অভিজ্ঞ যুবরাজ সিংই লড়ে যান। শেষ পর্যন্ত তিনি ৩৫ বলে ৫ চার ও তিন ছক্কায় ৫৩ করে রাবাদার বলে আউট হন। এ ছাড়া ক্রুনাল পান্ডিয়া ১৫ বলে ৩২ করেন।  ওপেনার কুইন্টন ডি কক ২৭ করলেও আর কেউ বলার মতো স্কোর করতে পারেননি। 

দিল্লি বোলারদের মধ্যে ইশান্ত শর্মা ও কাগিসো রাবাদা ২টি করে উইকেট পান। এছাড়া ট্রেন্ট বোল্ট, তিওয়াটি, কেমো পল ও অখর প্যাটেল একটি করে উইকেট দখল করেন।             

এর আগে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় দিল্লি ক্যাপিটালস। দলীয় ১০ রানে ও ব্যক্তিগত ৭ রানে মিচেল ম্যাকক্লেনাঘানের বলে আউট হন পৃথ্থী শাও। নিউজিল্যান্ডের এই পেসার ১৬ রান করা দিল্লি অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারকেও ফেরান।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে অবশ্য কলিন ইনগ্রামকে সঙ্গে নিয়ে ৮৩ রানের পার্টনারশিপ গড়েন ওপেনার শিখর ধাওয়ান। ইনগ্রাম পরে ৩২ বলে ৭টি চার ও একটি ছক্কায় ৪৭ করে বেন কাটিংয়ের বলে আউট হন। নিজের ইনিংসকে হাফসেঞ্চুরিতে নিয়ে যেতে পারেননি ধাওয়ানও। হার্দিক পান্ডিয়ার বলে আউট হওয়ার আগে ৩৬ বলে ৪টি চার ও একটি ছক্কায় ৪৩ করেন।

শেষদিকে রিশাভ পান্ত ঝড়ে বড় স্কোর করতে পারে দিল্লি। ২৭ বলে ৭টি চার ও সমান ছক্কায় ৭৮ রান করেন এই তরুণ তারকা। 

মুম্বাই পেসার ম্যাকক্লেনাঘান ৩টি উইকেট পান। একটি করে উইকেট দখল করেন জসপ্রিত বুমরাহ, হার্দিক পান্ডিয়া ও কাটিং।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা