kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

ক্রাইস্টচার্চ হামলার প্রতিবাদে অমুসলিম ফুটবলারের 'সেজদা'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ মার্চ, ২০১৯ ১৯:১৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্রাইস্টচার্চ হামলার প্রতিবাদে অমুসলিম ফুটবলারের 'সেজদা'

শান্তির দেশে অশান্তির আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে মানসিক বিকারগ্রস্ত এক বন্দুকধারী। নিহত হয়েছে ৪৯জন। হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে আরও ৪০ জনের মতো। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা স্রেফ ভাগ্যের জোরে বেঁচে গেছেন নিশ্চিত মৃত্যু থেকে। গোটা বিশ্ব এই হামলার নিন্দা জানাচ্ছে। প্রতিবাদে সরব হয়েছে শান্তিকামী মানুষ। গোটা বিশ্বের ক্রীড়াবিদদের মতো নিউজিল্যান্ডের ক্রীড়াবিদরাও বসে নেই। যার যার অবস্থান থেকে তারাও নেমেছেন প্রতিবাদে।

নিউজিল্যান্ডের ফুটবলার কস্তা বারবারোস ব্যতিক্রমী এক প্রতিবাদ করে নজর কেড়েছেন। শনিবার রাতে অস্ট্রেলিয়ান 'এ' লিগে ব্রিসবেন রোয়ারের বিপক্ষে ২-১ গোলে জিতেছে মেলবোর্ন ভিক্টরি। মেলবোর্নের জার্সিতে এদিন দুটি গোলই করেছেন কস্তা। ২৪ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন এই অমুসলিম ফুটবলার। এরপর ভাবলেশহীন মুখে মাঠের মধ্যেই হাঁটু মুড়ে বসে নামাজের মতো করে 'সেজদা' দেন তিনি। এই দৃশ্য হৃদয় ছুঁয়ে যায় দর্শকদের; আর মিডিয়ার মাধ্যমে তা পৌঁছে যায় গোটা বিশ্বে।

বারবারোসের এই গোল উদ্‌যাপন সাড়া ফেলেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই তাঁর এই অভিনব প্রতিবাদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। ম্যাচ শেষে বারবারোস গণমাধ্যমকে জানান, সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেই তিনি মাঠে সেজদা দিয়েছেন। এভাবে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, মুসলিমদের পাশে তিনি আছেন। তার ভাষায়, 'সত্যি বলতে, ভীষণ বিধ্বস্ত লাগছে। খুব হতাশাজনক একটা দিন। অনেকের কাছেই হয়তো এটা কিছু নয়; কিন্তু আমার কাছে সত্যিই বিশেষ কিছু।'

দেখুন সেই ভিডিও : 

ক্রাইস্টচার্চে নিহত ৪৯ জনের মধ্যে আছেন ৪ বাংলাদেশিও। এই বিপর্যয়ের পর কিউই জনগন সেখানকার ভীত-সন্ত্রস্ত মুসলিমের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের সাহায্যার্থে সবাই মিলে চাঁদা তুলছে। নিউজিল্যান্ডের অমুসলিম জনগনই মুসলিমদের জন্য হালাল খাবারের ব্যবস্থা করছে। তাদের নিরাপদে চলাচলের ব্যবস্থা করছে। নিউজিল্যান্ডে এমন ঘটনা কোনোদিন ঘটেনি। ওই দেশে খুন-ধর্ষণ-অপরহরণ হলো বিরল ঘটনা। কিন্তু ক্রাইস্টচার্চ ট্র্যাজেডির পর গোটা বিশ্বের কাছে তাদের মাথা হেট হয়েছে। সেই ভাবমূর্তি ফেরাতে সচেষ্ট কিউই জনগন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা