kalerkantho

মঙ্গলবার । ২২ অক্টোবর ২০১৯। ৬ কাতির্ক ১৪২৬। ২২ সফর ১৪৪১              

সাব্বির-সাইফউদ্দিনের শতরানের জুটি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১০:৫৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সাব্বির-সাইফউদ্দিনের শতরানের জুটি

ছবি : এএফপি

৬১ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর শংকা জেগেছিল যে, কত কম রানে অল-আউট হবে বাংলাদেশ। তবে সেই অবস্থা থেকে দলকে লড়াইয়ে ফেরান সাব্বির রহমান এবং মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ৬ষ্ঠ উইকেটে দুজনে মিলে গড়েন ১০১ রানের অসাধারণ এক জুটি।  ৬৩ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ৪৪ করা সাইফউদ্দিন ট্রেন্ট বোল্টের বলে গাপটিলের হাতে ধরা পড়লে জুটির অবসান হয়। অন্যপ্রান্তে ৫৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন সাব্বির রহমান।

রান তাড়ায় নেমে যথারীতি ধসে পড়ে বাংলাদেশের টপ অর্ডার। ইনিংসের প্রথম ওভারেই জোড়া আঘাত হানেন কিউই পেসার টিম সাউদি। স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই সাউদির শিকার হন তামিম ইকবাল (০)। তিন নম্বরে নামা সৌম্য সরকার ব্যার্থতার মিছিলে যোগ দেন। এক বল পরেই বোল্ড হয়ে ফিরেন 'ডাক' মেরে। অপর ওপেনার লিটন দাসও উইকেটে থাকার প্রয়োজন মনে করেননি। সাউদির ফিরতি ওভারে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফিরেন ১ রান করে।

২ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন মুশফিকুর রহিম এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। রান করতে পারছিলেন না বলে বেশ মন খারাপ ছিল মুশফিকের। আজ সুযোগটা কাজে লাগতে পারতেন। কিন্তু ভায়রা-ভাই জুটি বেশিদূর এগোয়নি। গতিদানব ট্রেন্ট বোল্টের বলে মুনরোকে ক্যাচ তুলে মুশফিক (১৭) বিদায় নিলে ভাঙে ৩৮ রানের জুটি। গ্র্যান্ডহোমের বলে মাহমুদউল্লাহ (১৬) ক্যাচ তুলে দিলে ৬১ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

এর আগে আজ বুধবার ডানোডিনে আগে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে ৩৩০ রানের পাহাড় গড়ে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। দলীয় ২১ রানে কলিন মুনরোকে (৮) ফিরিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছিলেন টাইগার ক্যাপ্টেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। কিন্তু এর ফল ভোগ করতে পারেনি বাংলাদেশ। আগের দুই ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান অপর ওপেনার মার্টিন গাপটিল (২৯) সাইফ উদ্দিনের বলে তামিম ইকবালের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হন। তৃতীয় উইকেটে হেনরি নিকোলাস আর রস টেইলর গড়েন ৯২ রানের জুটি। ৮২ বলে ৬৯ রান করা নিকোলাস মেহেদী মিরাজের শিকার হলে জুটির অবসান হয়।

সিরিজে প্রথমবার সুযোগ পাওয়া রুবেল হোসেনের শিকার হওয়ার আগে অভিজ্ঞ টেইলর করেন ৮২ বলে ৬৯ রান। কেন উইলিয়ামসনের বদলি অধিনায়ক টম ল্যাথামের ব্যাট থেকে আসে ৫১ বলে ৫৯ রানের ইনিংস। শেষদিকে জেমস নিশামের ২৪ বলে ৩৭, গ্র্যান্ডহোমের ১৫ বলে ৩৭* এবং স্যান্টনারের ৯ বলে ১৬* রানের দাপটে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৩০ রানের পাহাড় গড়ে। দেশের হয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ খরুচে বোলিংয়ের রেকর্ড গড়া মুস্তাফিজ ৯৩ রানে নেন ২ উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন মাশরাফি, রুবেল, সাইফউদ্দিন এবং মিরাজ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা