kalerkantho

মঙ্গলবার । ২২ অক্টোবর ২০১৯। ৬ কাতির্ক ১৪২৬। ২২ সফর ১৪৪১            

শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে প্রথমবার শিরোপা জিতল মেলবোর্ন রেনেগেডস

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৮:৪৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে প্রথমবার শিরোপা জিতল মেলবোর্ন রেনেগেডস

ছবি : টুইটার

অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া বিগ ব্যাশ লিগ(বিবিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতল মেলবোর্ন রেনেগেডস। গ্যালারি ভর্তি দর্শকের সামনে টুর্নামেন্টের অষ্টম আসরের ফাইনালে আজ রবিবার মেলবোর্ন রেনেগেডস ১৩ রানে হারায় মেলবোর্ন স্টার্সকে। শুধু প্রথম শিরোপাই নয়; এবারই প্রথম বিগ ব্যাশ লিগের ফাইনালে উঠেছিল মেলবোর্ন রেনেগেডস। প্রথমবারের বাজিমাত।

মেলবোর্নের ডকল্যান্ডস স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং বেছে নেয় মেলবোর্ন স্টার্স। ব্যাট হাতে নেমে ভালো শুরু করতে পারেনি মেলবোর্ন রেনেগেডস। উপরের সারির পাঁচ ব্যাটসম্যানের কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ফলে ৬৫ রানে ৫ উইকেট হারায় তারা। এরপর শক্ত হাতে দলের হাল ধরেন টম কুপার ও ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ান।

মেলবোর্ন স্টার্সের বোলারদের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়ে তুলে দলকে লড়াই করার পুঁজব এনে দেন কুপার ও ক্রিস্টিয়ান। ৫৮ বলে ৬০ রানের জুটি গড়েন তারা। এ জুটির কল্যানে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪৫ রানের সংগ্রহ পায় মেলবোর্ন রেনেগেডস। কুপার ৩৫ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় অপরাজিত ৪৩ ও ক্রিস্টিয়ান ৩০ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় অপরাজিত ৩৮ রান করেন।

জবাবে উড়ন্ত সূচনাই করে মেলবোর্ন স্টার্স। ১৩ ওভারে ৯৩ রান করেন দলের দুই ওপেনার বেন ডাঙ্ক ও মার্কাস স্টোয়িনিস। স্টোয়িনিস ৩৯ রানে আউট হলেও হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন ডাঙ্ক। ৩৮ বলে ২ চার  ১ ছক্কায় ৩৯ রান করেন স্টোয়িনিস। আর ৪৫ বলে ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫৭ রান করে ফিরেন ডাঙ্ক।

দুই ওপেনারের বিদায়ের পর ছোটখাট ধস নামে মেলবোর্ন স্টার্সের ব্যাটিং লাইন-আপে। ফলে শেষ ৭ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩৯ রান যোগ করতে পারে মেলবোর্ন স্টার্স। এতে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩২ রানে থামে তারা। মেলবোর্ন রেনেগেডসের ট্রিমেন-বয়সে-ক্রিস্টিয়ান ২টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হয়েছেন মেলবোর্ন রেনেগেডসের ক্রিস্টিয়ান।

ম্যাচ শেষে মেলবোর্ন রেনেগেডসের অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ বলেন, 'এটি অবিশ্বাস্য। ডাঙ্ককে ফেরানোর পরই আমরা ম্যাচ জয়ের আশা করি। এই উইকেটে রান চেজ করে ম্যাচ জয় করা কঠিন। প্রথমে ব্যাট করতে পেরে আমি খুশি। চাপের মধ্যে নিজেদের মনোবল হারায়নি ছেলেরা। আমাদের দর্শকদের জন্য এটি দারুন এক উপহার।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা