kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

অর্থ আত্মসাৎ; দুদকের চিঠি; ফুটবলের ভবিষ্যত কী?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৯:৪৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অর্থ আত্মসাৎ; দুদকের চিঠি; ফুটবলের ভবিষ্যত কী?

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কাণ্ডকীর্তির কথা কারও অজানা নয়। সবসময় নেতিবাচক খবরেই শিরোনাম হয়ে আসছে একসময়ের বিখ্যাত ফুটবলার কাজী সালাউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন বাফুফে। দিনে দিনে ফুটবলের যেমন অবনমন ঘটছে, তেমনি দ্রুত বাড়ছে বাফুফের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়। এই মুহূর্তে ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো বাফুফের দুর্নীতি ও কাজী সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে দুদকের মাঠে নামা। 

বিভিন্ন অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনকে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বাফুফে সভাপতিসহ দেশের সর্বোচ্চ ফুটবল সংস্থার আরও দুই শীর্ষ কর্মকর্তা নির্বাহী সদস্য ও মহিলা কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ এবং প্রধান হিসাব কর্মকর্তা আবু হোসেনের বিরুদ্ধেও এই অনুসন্ধান চলছে। চিঠিতে চলতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যেই দুদকের কাছে সমস্ত রেকর্ডপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।

বিভিন্ন অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের মাঝামাঝি কাজী সালাউদ্দিন ও অন্য দুজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। তদন্ত শেষে বাফুফের কাছে মোট ১১টি বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নথিপত্র চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাফুফে সভাপতি হিসেবে সালাউদ্দিনের দায়িত্ব পালনকালে বাফুফের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলোর বিবরণ, সিলেট বিকেএসপিতে ফুটবল একাডেমি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ফিফা থেকে প্রাপ্ত অর্থ ও ব্যয়ের বিবরণ, ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বার্ষিক ও বিশেষ অডিট রিপোর্ট।

এদিকে কোনো ক্রীড়া ফেডারেশনের দুদকের চিঠি পাওয়ার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। তিনি বলেছেন, 'আগে কখনো দেখিনি কোনো ক্রীড়া ফেডারেশনকে দুদক চিঠি দিয়েছে। কেউ যদি অন্যায় করে থাকে তাহলে তাকে তো শাস্তি পেতেই হবে। যেহেতু বাফুফেকে দুদক চিঠি দিয়েছে, তাই আমরা এটা খতিয়ে দেখব। আমরা আমাদের মতো করে যথাযথ ব্যবস্থা নেব। যদি তারা নির্দোষ প্রমাণিত হয় তাহলে কিছু করার নেই।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা