kalerkantho

বুধবার । ৯ আষাঢ় ১৪২৮। ২৩ জুন ২০২১। ১১ জিলকদ ১৪৪২

অধরা ফ্রেঞ্চ ওপেন জয়ে জকোভিচের সামনে প্রথম লক্ষ্য মন্টে কার্লো

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ এপ্রিল, ২০১৬ ২১:১১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অধরা ফ্রেঞ্চ ওপেন জয়ে জকোভিচের সামনে প্রথম লক্ষ্য মন্টে কার্লো

মন্টে কার্লো মাস্টার্সের শিরোপা ধরে রাখার মাধ্যমে অধরা ফ্রেঞ্চ ওপেনের শিরোপা জয়ে এগিয়ে যেতে চান বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় নোভাক জকোভিচ। তবে ক্লে কোর্টের শিরোপা জয়ে পথটা যে খুব একটা সহজ হবে না বেশ ভালই বুঝতে পারছেন এই সার্বিয়ান তারকা।
শীর্ষ র‌্যাঙ্কধারী সার্ব তারকা ক্যারিয়ারে ইতোমধ্যেই ১১টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয় করলেও শুধুমাত্র ফ্রেঞ্চ ওপেনের শিরোপাটি পাওয়া হয়নি। গত বছর রোলা গ্যাঁরোতে ফাইনালে স্ট্যান ওয়ারিঙ্কার কাছে পরাজিত হবার আগে দুইবার নাদালের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। কিন্তু এবার আর শিরোপা হাতছাড়া করতে চাননা। এ সম্পর্কে জকোভিচ বলেছেন, আমি ‘অবসেশন’ কথাটিতে বিশ্বাসী নই। কারণ এটি সঠিক ভাবে অনুমিত হয় না। কিন্তু অবশ্যই ক্যারিয়ারে এখনো না পাওয়া একমাত্র গ্র্যান্ড স্ল্যামটি না পাওয়া হতাশাজনক।’
অনেকেই অবশ্য প্যারিসে জকোভিচের জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী নন। কিন্তু জকোভিচ মনে করেন নিজেকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে হলে বর্তমান ও অতীত উভয় সময়কেই প্রাধান্য দিতে হবে। শুধুমাত্র শারীরিক ভাবেই নয়, মানসিক ও আধ্যাত্মিক ভাবেও আমি সবসময়ই শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনে বিশ্বাস করি। প্রতিদিনই ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় আমি নিজেকে ফিট রাখার অনুশীলন করি।
গত বছর মন্টে কার্লোর সেমিফাইনালে জকোভিচের কাছে পরাজিত নাদাল এখানে টানা আটটি শিরোপা দখল করেছেন। ২০০৫-২০১২ পর্যন্ত নাদালের এই জয় ২০১৩ সালে জকোভিছের কাছেই শেষ হয়। এখানে খেলতে আসা শীর্ষ সারির খেলোয়াড়রা প্রত্যেকেই বিশ্বাস করেন মন্টে কার্লোর শিরোপা প্যারিসে জেতার ব্যপারে সহায়তা করে। নাদাল তাই মনে করেন জকোভিচকে এক্ষেত্রে থামানো বেশ কঠিন। ২০১৩ সালের ইউএস ওপেনের ফাইনালে হারানোর পরে নাদাল সর্বশেষ ১১টি লড়াইয়ে ১০টিতেই পরাজিত হয়েছেন। দুই বছর আগে ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে একমাত্র জয়টি এসেছিল। নাদাল বলেন, প্রতিটি টুর্নামেন্টেই সে ফেবারিট হিসেবেই খেলতে নামেন। এর মাঝে কেউ কেউ কিছুটা ভিন্নতা প্রদর্শন করে। অবিশ্বাস্য মানসিকতায় জকোভিচ প্রতিটি ম্যাচে এগিয়ে যায়।
২০১৫ সাল থেকে জকোভিচ ২১টি টুর্নামেন্টের ১৯টিরই ফাইনালে খেলে ১৫টিতে জয়ী হয়েছেন, হেরেছেন মাত্র চারটিতে। ফেব্রুয়ারিতে দুবাই ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে স্প্যানিয়ার্ড ফেলিসিয়ানো লোপেজের কাছে পরাজিত হয়ে বিদায় নেন নাদাল। ঐ টুর্নামেন্টে চোখের ইনফেকশনের কারনে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন জকোভিচ। অতি সম্প্রতী মিয়ামি মাস্টার্সে জয়ী হবার মাধ্যমে ক্যারিয়ারে ২৮টি মাস্টার্স শিরোপা জয় করার কৃতিত্ব দেখান জকোভিচ। নাদালের তুলনায় যা একটি শিরোপা বেশী।



সাতদিনের সেরা